Sunday, 13 September, 2026
13 September
Homeদক্ষিণবঙ্গAadhaar: আধার কার্ডে মারাত্মক ভুল; ৩৫ বছরের মহিলার বয়স ১০৬ বছর!

Aadhaar: আধার কার্ডে মারাত্মক ভুল; ৩৫ বছরের মহিলার বয়স ১০৬ বছর!

কার্ডে জন্মসাল লেখা রয়েছে ১৯২০। অর্থাৎ নথিতে বয়স দেখানো হয়েছে ১০৬ বছর।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি, পশ্চিম মেদিনীপুর:

একটি তথ্যের ভুলেই থমকে গিয়েছে জীবন। বাস্তবে বয়স ৩৫ বছর হলেও আধার কার্ডের নথিতে তাঁর বয়স হয়ে গিয়েছে ১০৬ বছর! প্রশাসনিক নথিতে এই মারাত্মক বয়সের গোলমালের কারণে বিগত ১৪ বছর ধরে সমস্ত ধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার বাসিন্দা কৃষ্ণা পালকে।

আধার কার্ডে বয়সের এই জটিলতা সংশোধন করতে সরকারি দফতরে দফতরে ঘুরে ক্লান্ত কৃষ্ণা দেবী ও তাঁর স্বামী অষ্টম পাল।

আরও পড়ুনঃ  উত্তর ভারতে শুরু বর্ষার বিদায়ের কাউন্টডাউন, বঙ্গে এখনই নয়!

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও মূল সমস্যা

চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের মনোহরপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডিঙাল গ্রামের বাসিন্দা এই দম্পতির দুর্দশার বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:

বিষয় ও ক্ষেত্র বিবরণ ও বর্তমান পরিস্থিতি
ভুক্তভোগী দম্পতি কৃষ্ণা পাল (প্রকৃত বয়স ৩৫ বছর) ও স্বামী অষ্টম পাল (পেশায় সাইকেল মিস্ত্রি)।
আধার কার্ডের ভুল কার্ডে জন্মসাল লেখা রয়েছে ১৯২০। অর্থাৎ নথিতে বয়স দেখানো হয়েছে ১০৬ বছর
সমস্যার প্রভাব বয়সের বিশাল পার্থক্যের কারণে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা অন্যান্য সরকারি প্রকল্পের আবেদন বাতিল হয়ে যাচ্ছে।
দীর্ঘ লড়াই গত ১৪ বছর ধরে বিভিন্ন আধার কেন্দ্র, ব্লক অফিস, মহকুমা শাসক এবং স্থানীয় বিধায়কের দফতরে ঘুরলেও মেলেনি সমাধান।

আরও পড়ুনঃ স্বামীজীর ভাই ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত বাঙালিকে প্রথম মার্ক্স, লেনিনের বই পড়তে শিখিয়েছিলেন, গেরুয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে লাল পার্টির শতরূপ

প্রশাসনিক আশ্বাস ও সমাধানের আশা

শনিবার সকালে মনোহরপুরে আয়োজিত একটি জনকল্যাণ শিবিরে উপস্থিত হয়ে চন্দ্রকোনার তৃণমূল বিধায়ক সুকান্ত দোলইয়ের কাছে নিজেদের দীর্ঘদিনের এই ক্ষোভ ও সমস্যার কথা জানান ওই দম্পতি। বিধায়ক সম্পূর্ণ বিষয়টি মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং দ্রুত এই আধার সংক্রান্ত তথ্য সংশোধন করার উদ্যোগ নেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

কৃষ্ণাদেবী জানান, এতদিন একাধিক প্রশাসনিক দপ্তরে চক্কর কেটেও কোনো ফল হয়নি। তবে বিধায়কের সুনির্দিষ্ট আশ্বাসে ১৪ বছরের এই জটিলতা কাটার বিষয়ে নতুন করে আশার আলো দেখছেন তাঁরা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন