দিল্লির ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে পাকিস্তানি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে আন্দোলনকে উস্কে দেওয়া হচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে প্রমাণ এসেছে। সরকারি সূত্রের খবর, ৪০০-রও বেশি এক্স হ্যান্ডেল থেকে এই ধরনের প্রচারণা চালানো হচ্ছে। সরকার দ্রুত এসব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার পদক্ষেপ নিতে চলেছে।
আরও পড়ুনঃ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ, স্লোগান বিরোধীদের, পাল্টা বিক্ষোভে এনডিএ সাংসদেরাও
রাজধানীতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভ চলাকালীন হিংসা, দাঙ্গা বা আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাসপোর্ট বাতিলের প্রক্রিয়াও শুরু হতে পারে। তবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ শিয়ালদহে নাগরিক কনভেনশনে হকার উচ্ছেদ বিরোধী প্রতিবাদ; পুনর্বাসনের দাবিতে UTUC-এর জোরালো বক্তব্য
গত সোমবার সংসদ অভিমুখে মিছিলের সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ অতি সতর্ক।
কেন্দ্রীয় সরকার ও দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভে নিরাপত্তা বজায় রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে।


