দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন পুরপ্রধান, আরামবাগ থানা চত্বরে ধুন্ধুমার। ধৃত তৃণমূল নেতাকে ঘিরে চোর স্লোগান, ডিম ছুড়ে তুমুল বিক্ষোভ। ডিমের পাশাপাশি তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল কালিও। গ্রিন সিটি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার তৃণমূল নেতা স্বপন নন্দী। স্বপন নন্দী আরামবাগের প্রাক্তন পুরপ্রধান ও তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক। কেরল থেকে গ্রেফতার, আরামবাগ থানায় আনার সময় তুলকালাম। এই মামলায় আগেই গ্রেফতার ৩ জন, ধৃত বেড়ে ৪।
আরও পড়ুনঃ গ্রেপ্তার খানাকুলের বাহুবলী তৃনমুল নেতা প্রভুনাথ পোড়েল
ক্রমশ বাড়ছে তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারির সংখ্য়া। সেই তালিকায় নাম জুড়ল আরামবাগ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধানের। গ্রেফতার হলেন ব্য়ারাকপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতিও। অন্য়দিকে, পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন রাজু নস্করের চার শাগরেদ। তৃণমূলে এখন শনির দশা। লাগাতার ভাঙনের মধ্য়ে চলছে পরপর ধরপাকড়। এর মধ্য়েই সামনে এল তৃণমূল নেতার ‘কীর্তি’, যিনি গোঁফ কামিয়েও রেহাই পেলেন না। ইনি আরামবাগ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান স্বপন নন্দী, যিনি আত্মগোপন করতে কামিয়ে ফেলেছিলেন আস্ত গোঁফটাই। পুলিশের নজর থেকে বাঁচতে পালিয়ে গেছিলেন কেরলমে।
আরও পড়ুনঃ ‘অপারেশন তৃণমূল’-এর নেপথ্যে কার হাত? ভূপেন্দ্র নন! তাহলে বিজেপির কে?
কিন্তু এতকিছু করেও হল না শেষরক্ষা। শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা দিতেই হল, তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক ও আরামবাগের প্রাক্তন পুরপ্রধান স্বপন নন্দীকে। কেরলম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে আরামবাগ থানার পুলিশ। অভিযোগ, আরামবাগ পুরসভার পুরপ্রধান থাকাকালীন, গ্রিন সিটি প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা নয়ছয় করেছেন তিনি। অন্যদিকে ২০১৪ সালের একটি প্রতারণা সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল নেতা ও সিঙ্গুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি মানিক দাস।
অন্যদিকে উত্তর ২৪ পরগনায়, হুমকি-তোলাবাজির অভিযোগে এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছে রহড়া থানা। ধৃত সুকুর আলি পুরকায়েত ব্য়ারাকপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি। পুলিশ সূত্রে দাবি, তৃণমূল সরকারের আমলে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে জমি দখল-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ধৃতকে থানা থেকে বের করার সময়, তাঁকে লক্ষ করে ডিম ছোড়া হয়। ওঠে চোর-স্লোগান।


