Friday, 30 October, 2026
30 October
Homeদক্ষিণবঙ্গED Raid: ভুয়ো কোম্পানির নামে বিপুল টাকা লোন নেওয়ার অভিযোগ, লেক টাউন-উত্তরপাড়ায়...

ED Raid: ভুয়ো কোম্পানির নামে বিপুল টাকা লোন নেওয়ার অভিযোগ, লেক টাউন-উত্তরপাড়ায় টান টান উত্তেজনা

লেকটাউনের পাশাপাশি হুগলির উত্তরপাড়ার শিবতলা স্ট্রিটের বাসিন্দা তথা অপর চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুদীপ্ত ঘোষ-এর বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডির টিম।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ রাজ্য ও অর্থনৈতিক অপরাধ সংক্রান্ত প্রতিবেদন:

শুক্রবার সকালে ফের রাজ্যে সক্রিয় হয়ে উঠলো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। প্রায় ২৯০ কোটি টাকার সুবিশাল ব্যাঙ্ক জালিয়াতি এবং আর্থিক কারচুপির (Money Laundering) তদন্তে নেমে একযোগে কলকাতার একাধিক প্রভাবশালী চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের (CA) বাসভবনে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছেন ইডি আধিকারিকরা। ঝাড়খণ্ডের একটি বিদ্যুৎ প্ল্যান্টের বিপুল লোন নিয়ে সেই টাকা ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে কলকাতায় পাচার করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে এই মামলায়।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় সকাল থেকেই লেকটাউন এবং হুগলির উত্তরপাড়ায় একযোগে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  বাংলা-অসম সীমান্তে বাড়ছে আশঙ্কা, রাতেই রাস্তায় নামলেন বাসিন্দারা; এই পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে RSP, প্রকাশ হেল্পলাইন নম্বর

লেকটাউনে ‘কোহিনূর পাওয়ার’ কানেকশন ও অশোক সারথির বাড়িতে হানা

ইডির নজরে থাকা মূল অভিযানের ভরকেন্দ্র লেকটাউনের অভিজাত আবাসন অবনী অক্সফোর্ড (ফেজ ১)।

  • অভিযোগের মূল উৎস: তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ডে একটি ৬৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার পাওয়ার প্রজেক্ট বা বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্দেশ্যে একাধিক ব্যাঙ্কের কনসর্টিয়াম (Bank Consortium) থেকে প্রায় ২৯০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল।

  • যে সংস্থার নামে জালিয়াতি: অনুসন্ধানে ‘কোহিনূর পাওয়ার প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের একটি বেসরকারি সংস্থার নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ, লোন নেওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ মূল প্রজেক্টে ব্যবহারই করা হয়নি।

  • ভুয়া কোম্পানি ও মানি লন্ডারিং: ঋণ নেওয়া টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে উদ্ধার করতে একাধিক ভুয়া (Shell Company) সংস্থা তৈরি করা হয়। সেই জাল খতিয়ান বানিয়ে কোটি কোটি টাকা অন্য খাতে ঘুরিয়ে আত্মসাৎ করার নেপথ্যে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অশোক সারথির মুখ্য ভূমিকা ছিল বলে ইডির অনুমান।

  • ডিজিটাল নথি বাজেয়াপ্ত: শুক্রবার সকাল থেকে লেকটাউনের ফ্ল্যাটে অশোক সারথিকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ল্যাপটপ, পেনড্রাইভ এবং বিভিন্ন সন্দেহজনক আর্থিক নথি খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা।

উত্তরপাড়ায় সিএ সুদীপ্ত ঘোষের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী

লেকটাউনের পাশাপাশি হুগলির উত্তরপাড়ার শিবতলা স্ট্রিটের বাসিন্দা তথা অপর চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুদীপ্ত ঘোষ-এর বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডির টিম।

  • তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার দাবি: কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে বাড়িতে ইডি অফিসাররা প্রবেশ করতেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। ঘরের ভেতর সুদীপ্তবাবুকে বসিয়ে প্রয়োজনীয় ফাইলপত্র ও নথি খতিয়ে দেখছেন ইডি প্রতিনিধিরা।

  • সুদীপ্ত ঘোষের প্রতিক্রিয়া: তল্লাশির মাঝেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, “ইডির আধিকারিকরা সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়ে তদন্ত করতে এসেছেন। আমি পূর্ণ সহযোগিতা করছি। তবে ব্যাঙ্কের এই আর্থিক জালিয়াতি বা দুর্নীতির সঙ্গে আমার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।”

আরও পড়ুনঃ  ‘লাঠির ভয় পাবেন না, বিজেপির আর ও সব করার সাহসও হবে না!’ জানালেন রাহুল

তদন্তের পরবর্তী গতিপ্রকৃতি

ঝাড়খণ্ডের রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলি থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পের নামে লোন নিয়ে তা কলকাতায় পাচার করার এই চক্রে আর কোন কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি বা রাজনৈতিক মাথার যোগ রয়েছে, তা জানতেই এই সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তল্লাশি অভিযান শেষে ঠিক কত কোটি টাকার গরমিল এবং নথি উদ্ধার হয়, সেদিকেই নজর রাখছে প্রশাসনিক মহল।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন