বাংলা পক্ষের প্রধান হিসেবে তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে সক্রিয় হলেও, তাঁর মতো একজন ব্যক্তির জন্য কীভাবে সরকারি পিএসও মোতায়েন ছিল, তা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।
থাইল্যান্ডের নাগরিক হিসেবে জন্ম নেওয়া এই রুজিরার নথিপত্রে অসঙ্গতি, সোনা চোরাচালানের অভিযোগ এবং রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তাঁকে বারবার শিরোনামে নিয়ে এসেছে।
ইভিএম বা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন সংক্রান্ত বিষয়ে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে মঙ্গলবার সকালে তাঁকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখা।
বাংলাদেশে আবার সেই ভিডিয়োতে দাবি করা হয়েছে, বিজেপি নাকি মুসলিম ব্যক্তিদের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই দুটো দাবিই মিথ্যা বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।