spot_img
Tuesday, 3 March, 2026
3 March
spot_img
HomeকলকাতাTMCP: গায়ে হলুদ রঙের পাঞ্জাবি, বুকে ‘জয় বাংলা’ লোগো, ছাত্রছাত্রীদের অনুরোধে কর্মসূচিতে...

TMCP: গায়ে হলুদ রঙের পাঞ্জাবি, বুকে ‘জয় বাংলা’ লোগো, ছাত্রছাত্রীদের অনুরোধে কর্মসূচিতে যোগ!

ছাত্রছাত্রীদের অনুরোধে তিনি এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সেমিস্টার পরীক্ষার দিনেই নজর কাড়ল সুরেন্দ্রনাথ ইভিনিং কলেজ। বৃহস্পতিবার কলেজ চত্বরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে সদস্যদের পোশাক বিতরণ করা হয়। ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ জাফর আলি আখানও। তাঁর গায়েও ছিল হলুদ রঙের একটি পাঞ্জাবি, যার বুকে বসানো ‘জয় বাংলা’ লেখা লোগো। পাঞ্জাবিগুলো তৈরি করাই হয়েছে টিএমসিপি সদস্যদের জন্য।

অধ্যক্ষ নিজেই জানান, ছাত্রছাত্রীদের অনুরোধে তিনি এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন। বলেন, “টিএমসিপির স্থানীয় ইউনিট এই আয়োজন করেছিল। ছাত্ররা আমায় ডেকে নেয়। বলল, অন্তত কয়েকটা পোশাক আপনি তুলে দিন। আমি তাদের অনুরোধ রেখেছি।”

এদিন কলেজ চত্বরে টিএমসিপির সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয় টিশার্ট, উত্তরীয় ও পাঞ্জাবি। সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ওয়েবকুপা এবং টিএমসিপির অর্থানুকূল্যে এই পোশাক কেনা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ছাত্র সংগঠনের দাবি, সরকারের অনুরোধ, কিছুই কানে তোলেননি শান্তা দত্ত দে; মনে করালেন মীরা পাণ্ডেকে

অন্যদিকে, ওই একই সময়ে কলেজে চলছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত পরীক্ষা। বৃহস্পতিবারই ছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ-এলএলবি এবং বিকমের চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষা। পরীক্ষা চলার মধ্যে ছাত্র পরিষদের কর্মসূচি হলেও অধ্যক্ষের দাবি, পরীক্ষার্থীদের কোনও সমস্যার মুখে পড়তে হয়নি। “পরীক্ষা একেবারেই নির্বিঘ্নে হয়েছে। কোনও অভিযোগ আসেনি,” জানান তিনি।

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে দেওয়া সেই হলুদ পোশাক পরে সদস্যরা এদিন কলেজ থেকে বেরিয়ে মিছিল করেন এবং মেয়ো রোডের সভায় যোগ দেন। টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে ওই সভার আয়োজন করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, এর আগে পরীক্ষার দিন পিছোনোর আবেদন করেছিলেন একাধিক অধ্যক্ষ, অধ্যাপক এবং পড়ুয়ারা। এমনকি উচ্চশিক্ষা দফতরও উপাচার্যকে অনুরোধ জানিয়েছিল। অভিযোগ ছিল, প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে রাজপথে ব্যাপক ভিড় জমতে পারে, ফলে পরীক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়বেন। কিন্তু কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শান্তা দত্ত দে স্পষ্ট জানান, পরীক্ষার দিন পরিবর্তন করা হবে না মানে না। সেই মতো নির্ধারিত দিনেই পরীক্ষা হয়। তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাপার হল, পরীক্ষা পিছোনোর আবেদনকারীদের তালিকায় নাম ছিল সুরেন্দ্রনাথ সান্ধ্য কলেজের অধ্যক্ষ জাফর আলি আখানেরও। যিনি আজ টিএমসিপির পাঞ্জাবি পরে পোশাক বিতরণ করছিলেন।

বস্তুত, এদিন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে মেয়ো রোডের জমজমাট মঞ্চ যেন মুহূর্তের জন্য ক্লাসরুমে পরিণত হয়!

মোবাইল হাতে ছবি তুলতে ব্যস্ত ছাত্রছাত্রীদের দেখে হঠাৎই মাইকে ‘কড়া স্যার’-এর ভূমিকায় নামেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “ছবি তুললে কিছু মনে থাকবে না। নোটবুক-কলমে লিখে রাখো। এ সব সমাবেশে গেলে নোট নাও, অভ্যাস করো।”

আরও পড়ুনঃ অচল এনবিইউ, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করল সারা বাংলা তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতি

এরপরই ‘শিক্ষিকা’ মমতা শুরু করেন উন্নয়নের পাঠ। ২০১১ থেকে এ যাবৎ রাজ্যের খতিয়ান তুলে ধরেন একে একে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বিরোধীদের বাধা সত্ত্বেও রাজ্যের আয় বেড়েছে সাড়ে পাঁচ গুণ। দারিদ্রসীমার নীচ থেকে উঠে এসেছে প্রায় দু’কোটি মানুষ। শিক্ষা পরিকাঠামোয় খরচ হয়েছে ৬৯ হাজার কোটি টাকা। আইটিআই, পলিটেকনিক, মেডিক্যাল কলেজ তৈরি হয়েছে একের পর এক। সঙ্গে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক, স্কুল ড্রেস, জুতো, বিদ্যাশ্রী— সবই ‘বাংলার মডেল’।

দলনেত্রীর আগে দলের ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে তুলোধনা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বক্তব্যে উঠে আসে বাংলা ভাষার অপমান প্রসঙ্গও।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন