বালি এবং কয়লা পাচার মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় ইডি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই তল্লাশি চলছে কলকাতা, দুর্গাপুর, আসানসোলের একাধিক ঠিকানায়। তদন্ত চলাকালীন জামুরিয়ার বনসালদের বাড়িতে ইডি অফিসার ঢুকল দুই ব্যাঙ্ক কর্মীকে নিয়ে। হাতে বড় বস্তা।
আরও পড়ুনঃ রাজনৈতিক উত্তাপের মাঝেই মুখ খুলল দিল্লি পুলিশ! পুলিশ কমিশনারের বয়ানে ফাঁস মমতার ‘মিথ্যাচার’
সূত্রের খবর বহু নগদ টাকা পাওয়া গিয়েছে। কয়লা পাচার মামলায় দুর্গাপুর-পাণ্ডবেশ্বরে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। কয়লা পাচারে হাওয়ালা যোগ জামুরিয়ার বনসাল পরিবারের। রাজেশ বনসালের বাড়িতে ইডির তল্লাশি। সূত্রের খবর নগদ ৬৫ লক্ষ টাকা এখনও পর্যন্ত পাওয়া গিয়েছে রাজেশের বাড়ি থেকে। টাকা গোনার কাজ চলছে এখনও। পাওয়া গিয়েছে বহু নথি। বহু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের খাতা।
জানা যাচ্ছে, আইনি বা বেআইনি কয়লা ক্রয় করে বিভিন্ন ফ্যাক্টরি। কিন্তু সরাসরি তাঁরা টাকা লেনদেন করে না। লেনদেনে মিডিয়াটারের কাজ করতো রাজেশ বনসালের ট্রেডিং সংস্থা। কয়লা কারবারে বনসালরা অ্যাকাউন্টে ভাড়া দিত। কত টাকা লেনদেন হত তা খতিয়ে দেখছে ইডি।
আরও পড়ুনঃ ৯ দিনের ব্যবধানে কেঁপে উঠল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত
কয়লা কাণ্ডে তদন্তের অংশ হিসেবে শুক্রবার ভোরে আসানসোলের রানিগঞ্জ ও জামুরিয়া এলাকায় একযোগে অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সাড়ে ছ’টা নাগাদ কলকাতা থেকে তিনটি গাড়িতে করে ইডির একটি দল জামুরিয়ায় পৌঁছয়। জামুরিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত ব্যবসায়ী রাজেশ বনসালের বাসভবন, তাঁর দুই ছেলে সুমিত বনসাল ও অমিত বনসালের আবাস, পাশাপাশি পাঞ্জাবি মোড়ে অবস্থিত একটি হার্ডওয়ার এবং ওই এলাকার একটি গুদামেও একযোগে তল্লাশি চালানো হয়।
অন্যদিকে, জামুরিয়া হাটতলা এলাকায় অবস্থিত বনসাল হার্ডওয়্যারেও ইডির তল্লাশি অভিযান চলছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, কয়লা কাণ্ডের আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়েই এই অভিযান। বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের দুর্গাপুর সিটি সেন্টারের বাড়িতেও হানা দিয়েছেন তদন্তকারীরা।





