spot_img
Wednesday, 18 March, 2026
18 March
spot_img
HomeদেশSocial Media: কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র! সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে...

Social Media: কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র! সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে মোদী সরকার

সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে কনটেন্ট সরানোর সময়সীমা ২৪-৩৬ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ২-৩ ঘণ্টা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ভুয়ো তথ্য রোধে আরও কড়া পদক্ষেপের পথে সরকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় কনটেন্ট ব্লক করার ক্ষমতা নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের পথে এগোতে চলেছে কেন্দ্র। এতদিন পর্যন্ত এই ক্ষমতা শুধুমাত্র তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের হাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে শিগগিরই এই ক্ষমতা একাধিক মন্ত্রকের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার বর্তমানে গৃহ মন্ত্রক, বিদেশ মন্ত্রক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রককেও সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট ব্লক করার ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক এবং ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোকে একাধিক সরকারি সংস্থার কাছ থেকে সরাসরি কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ পেতে হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ আসতে পারে বড় সিদ্ধান্ত! আজ ফের আইপ্যাক মামলা সুপ্রিমে

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অনলাইনে তৈরি হওয়া অনেক কনটেন্টই বিভ্রান্তিকর বা ভুয়ো তথ্য ছড়ায়, যা নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। সেই কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আপাতত এই ক্ষমতা পাঁচটি মন্ত্রকের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হতে পারে, তবে ভবিষ্যতে এর পরিধি আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

এছাড়াও ভবিষ্যতে সেবি বা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়াকেও এই ক্ষমতা দেওয়া হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরেই অনলাইনে ভুয়ো আর্থিক তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে সরব এই সংস্থা। ফলে তাদের হাতে কনটেন্ট ব্লক করার ক্ষমতা এলে তারা সরাসরি সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দিতে পারবে।

বর্তমানে ভারতে কনটেন্ট ব্লক করার দুটি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৯(এ) ধারার অধীনে, যেখানে জাতীয় নিরাপত্তা বা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ কনটেন্ট দ্রুত সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিভিন্ন মন্ত্রক ও রাজ্য সরকারের নোডাল আধিকারিকরা এমন কনটেন্ট শনাক্ত করে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের কাছে পাঠান, এরপর মন্ত্রক ব্লকিং অর্ডার জারি করে।

দ্বিতীয় পদ্ধতি ৭৯(৩)(বি) ধারার অধীনে, যেখানে কিছু নির্দিষ্ট মন্ত্রক সরাসরি কনটেন্ট ব্লক করার নির্দেশ দিতে পারে। সাধারণত গৃহ মন্ত্রক এই ধরনের নির্দেশ ‘সহযোগ’ পোর্টালের মাধ্যমে জারি করে থাকে।

আরও পড়ুনঃ বাঁধভাঙ্গা উল্লাস কর্মী-সমর্থকদের; প্রচারে গৌতম-রীনা-শঙ্কর

সূত্রের দাবি, কেন্দ্র সরকার এখন এই দুই পদ্ধতির মধ্যে সমন্বয় সাধনের চেষ্টা করছে। পাশাপাশি, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৯(এ) ধারার অধীনে থাকা প্রক্রিয়াকেও বিকেন্দ্রীকরণের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে কনটেন্ট সরানোর সময়সীমা ২৪-৩৬ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ২-৩ ঘণ্টা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছে সরকার।

সরকারি মহলের মতে, বর্তমানে সমস্ত প্রক্রিয়া তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের ওপর কেন্দ্রীভূত থাকায় কাজের চাপ বেড়ে যাচ্ছে। তাই বিভিন্ন সংস্থাকে আরও ক্ষমতায়ন করে এই চাপ কমানোর দিকেই এগোচ্ছে কেন্দ্র।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন