প্রবল গরমের মধ্যেই আজ কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখী সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আর যদি সেটা হয়, তাহলে এই মারাত্মক গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থেকে সামান্য হলেও রেহাই পাবেন মানুষ। আবহবিদরা জানিয়েছেন, চৈত্রের শেষে এবং বৈশাখের পয়লা দিনই যে মারাত্মক গরম পড়েছিল, তার জেরে জলীয় বাষ্প ঢুকেছে পরিমণ্ডলে। আর সেটাই কালবৈশাখীর অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। আর কালবৈশাখী আছড়ে পড়লে কিছুটা তাপমাত্রা কমবে। তবে ভ্যাপসা গরমের স্পেল অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহবিদরা।
আরও পড়ুনঃ ‘বজ্রআঁটুনি’ ২৯-এর যুদ্ধে কাশ্মীরের বুলেটপ্রুফ ‘মার্কসম্যান’ এখন ভোট বাংলায়
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আজ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় (কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া) ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে।
তারইমধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং নদিয়ায় ঝড়-বৃষ্টির দাপট কিছুটা বেশি থাকবে। ওই জেলাগুলির অনেকাংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। সেইসঙ্গে ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইবে। সেজন্য কমলা সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ পালানোর পথ নেই; কমিশনের বিশেষ নজর উত্তরবঙ্গে
আবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং মুর্শিদাবাদে ঝড়ের বেগ থাকবে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি। সেজন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ওই জেলাগুলির কয়েকটি অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে।
আবার কলকাতার বিষয়ে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে আজ কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। বিকেলের বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঠেকেছে ২৭.২ ডিগ্রিতে। এমনিতে চৈত্র সংক্রান্তির তুলনায় পয়লা বৈশাখে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সামান্য কমেছিল। কিন্তু আর্দ্রতার জন্য মারাত্মক কষ্ট হচ্ছিল।



