‘সান ডে হো ইয়া মান ডে, রোজ খাও আন্ডে’, বর্তমানে এই ট্যাগলাইনটাই কাদের জন্য পারফেক্ট, তা হয়তো বলার অপেক্ষা রাখে না। সহজলভ্য প্রোটিন উৎস বর্তমানে প্রতিবাদে ট্রেন্ডিং! নাগালে পেলেই ডিম পড়ছে টুপটাপ। ছোট-বড় নেতারা সেই ভয়ে কুপোকাত। এবার জামাইষষ্ঠীর বাজারে হাতে গরম ট্রেন্ডকেই বেছে নিল শহরের নামকরা মিষ্টি বিপণী।
আরও পড়ুনঃ নাটকীয় পরিস্থিতি; নিরাপত্তা বলয় ভেদ করেই উদয়নকে লক্ষ্য করে ডিম
এবার টার্গেট জামাইরা! ফেলু মোদকের মিষ্টির শোকেসে সাজানো সারি সারি ডিম। ছানার তৈরি ডিমের সাদা অংশ। ভিতরে আমের পাল্পের কুমুস। প্রতি পিস মিষ্টি ডিমের দাম রাখা হয়েছে ২৫ টাকা।

ফেলু মোদকের কর্ণধার অমিতাভ দে জানিয়েছেন, “জামাইষষ্ঠীর দু’দিন আগে থেকেই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার, জামাইষষ্ঠীর দিন পর্যন্ত দোকানে পাওয়া যাবে স্পেশাল ডিম মিষ্টি।” হঠাৎ ডিমকেই কেন বেছে নিলেন এবার জামাইষষ্ঠী স্পেশাল মিষ্টি হিসেবে? বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনারাও কি মানুষকে ডিম খাওয়াতে চাইছেন? সংবাদ প্রতিদিনের প্রশ্নে মুচকি হেসে অমিতাভ বলেন, “রাজনীতির সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। ডিমের আদলে মিষ্টি বহু পুরনো। ইলিশ মাছের পেটির শেপেও তো মিষ্টি হয়। এবার সেই পুরনো ঐতিহ্যকেই ফিরিয়ে আনলাম। মানুষ মিষ্টি ডিম খেলে তো আমাদেরই লাভ।”
আরও পড়ুনঃ কড়া নির্দেশিকা জারি; নিষিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে স্মার্টফোন
শুধু তাই নয়, জামাইষষ্ঠীর আগে ডিম মিষ্টি ছাড়াও বাহারি সন্দেশ, রসের মিষ্টিতে সেজে উঠেছে দোকান। বিশ্বকাপের আবহে বিভিন্ন টিমের লোগো ছাপা মিষ্টিও দেখতে পাবেন ফেলু মোদকে গেলে। বাহারি মিষ্টির আহারেও অতুলনীয়। একাধিক ভ্যারাইটি যেমন আছে, তেমনই স্বাদের সঙ্গে কোনও কম্প্রোমাইজ করা হয়নি বলেই জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মিষ্টি ক্রেতারা জানাচ্ছেন, রকমফের যা-ই থাকুক না কেন, দোকাে ঢুকেই প্রথম নজর কাড়ছে ‘ডিম’।


