Tuesday, 28 July, 2026
28 July
HomeকলকাতাKMC: ১৪৪ থেকে বেড়ে ২০০ নতুন ওয়ার্ড! ৩১ জুলাই প্রকাশিত হতে পারে...

KMC: ১৪৪ থেকে বেড়ে ২০০ নতুন ওয়ার্ড! ৩১ জুলাই প্রকাশিত হতে পারে কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের খসড়া

৩১ জুলাই খসড়া তালিকা প্রকাশের পর সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক দলগুলির কাছ থেকে দাবি ও আপত্তি আহ্বান করা হবে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

দেবজিৎ মুখার্জি, নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা:

রাজ্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এবার কলকাতা পুরসভার পরিকাঠামোগত কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আগামী শুক্রবার, অর্থাৎ ৩১ জুলাই, কলকাতা পুরসভার নতুন ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের (Delimitation) খসড়া তালিকা প্রকাশিত হতে পারে।

গত মে মাসে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। যার প্রভাব পড়ে কলকাতা পুরসভাতেও। মেয়র পদ থেকে ফিরহাদ হাকিমের ইস্তফার পর প্রশাসনিক কাজ সচল রাখতে পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচনের মাধ্যমে কলকাতা পুরসভায় নির্বাচিত বোর্ডের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে। সেই লক্ষ্যেই দ্রুত গতিতে শুরু হয়েছে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ।

আরও পড়ুনঃ মীরপুরে বিক্ষোভকারীদের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নির্বিচার গুলি

খসড়া রিপোর্টে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব: পুরসভার সমীক্ষা বিভাগ ও বরো-ভিত্তিক কমিটির তৈরি রিপোর্টে বর্তমান ১৪৪টি ওয়ার্ডের কাঠামো পুরোপুরি বদলে ফেলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে:

  • মূল কলকাতা (১-১০০ নম্বর ওয়ার্ড): বর্তমানের ১ থেকে ১০০ নম্বর ওয়ার্ডকে পুনর্গঠন করে ১৩০টি নতুন ওয়ার্ড তৈরির প্রস্তাব রয়েছে। এতে পুরানো ও সংযুক্ত এলাকার ভেদাভেদ মুছে ফেলা হবে।

  • সংযুক্ত এলাকা (১০১-১৪৪ নম্বর ওয়ার্ড): বিদ্যমান ৪৪টি ওয়ার্ডকে ভেঙে ৭০টি নতুন ওয়ার্ড গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

  • মোট ওয়ার্ড সংখ্যা: খসড়া বাস্তবায়িত হলে কলকাতা পুরসভার মোট ওয়ার্ড সংখ্যা ১৪৪ থেকে বেড়ে ২০০-তে পৌঁছাতে পারে।

আরও পড়ুনঃ জারি হল সুনামির সতর্কতা; ভূমিকম্পে কাঁপছে জাপান

সোমবারই এই সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট পুরপ্রশাসক স্মিতা পাণ্ডের কাছে জমা পড়েছে। তিনি পর্যালোচনার পর রিপোর্টটি রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরে পাঠাবেন। ৩১ জুলাই খসড়া তালিকা প্রকাশের পর সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক দলগুলির কাছ থেকে দাবি ও আপত্তি আহ্বান করা হবে। সব প্রক্রিয়া শেষে প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত তালিকা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন