বিশেষ আবহাওয়া প্রতিনিধি, কলকাতা:
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চ তাপমাত্রা, অনুকূল বায়ুপ্রবাহ ও নিম্ন উইন্ড শিয়ারের কারণে বঙ্গোপসাগরে ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের মেঘ। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক অনুমান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি শক্তি সঞ্চয় করে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর সম্ভাব্য প্রভাব পড়তে পারে ওডিশার পুরী থেকে পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের ঝড়খালি উপকূলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে।
একই সঙ্গে ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে উত্তর ভারত মহাসাগরে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের সক্রিয়তা ও সামগ্রিক শক্তি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া সংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদি মডেলগুলি।
আরও পড়ুনঃ শুধু মহারাষ্ট্র নয়, দেড়শো বছর পার কাঁকিনাড়ায়; শিল্পাঞ্চলে যৌথ সংস্কৃতির বিকাশ
ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাস ও দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার রূপরেখা
সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের গতিপ্রকৃতি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিসংখ্যানের মূল তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:
আরও পড়ুনঃ মেগা ইভেন্টের আড়ালে কি বাস্তব লুকানোর চেষ্টা? পর্দার আড়ালে প্রতিদিনের জীবন
উপকূলীয় অঞ্চলে সতর্কতা ও নির্দেশিকা
যদিও এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি ও সম্ভাব্য পূর্বাভাস, তবুও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে উপকূলবর্তী জেলা, মৎস্যজীবী এবং নদী ও সমুদ্র সংলগ্ন অঞ্চলের বাসিন্দাদের আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে:
-
জরুরি প্রস্তুতি: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ওষুধ, টর্চ ও পাওয়ার ব্যাঙ্ক প্রস্তুত রাখা।
-
সতর্কতা কেন্দ্র: সরকারি আবহাওয়া দপ্তরের চূড়ান্ত নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত সমুদ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি চালানো।
দক্ষিণবঙ্গে রাতেই শরতের আমেজ ও কুয়াশা
অন্য দিকে, টানা বৃষ্টির পর কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আবহাওয়া বদলেছে। সারাদিনের দফায় দফায় বৃষ্টি ও মেঘলা আকাশের পর রাতে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে একাধিক জায়গায় কুয়াশার আস্তরণ দেখা গেছে।
কলকাতায় রাতের তাপমাত্রা ২৫°C – ২৬°C-এর কাছাকাছি নামায় বর্ষার বিদায়বেলায় কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় শরতের হালকা আগমনী বার্তার পরশ পাচ্ছেন রাজ্যবাসী।


