Monday, 19 October, 2026
19 October
HomeদেশManipur: ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে লাশ ফেলে গেল উন্মত্ত জনতা

Manipur: ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে লাশ ফেলে গেল উন্মত্ত জনতা

এই ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়। পাশাপাশি আহত হন আরও ৪ জন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ফের হিংসার আগুনে জ্বলে উঠল উত্তর-পূর্বের রাজ্য মণিপুর। দুষ্কৃতীদের গুলিতে দুই গ্রামবাসীর মৃত্যুতে ক্ষেপে উঠল জনতা। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর আকার নিয়েছে যে, প্রতিবাদ স্বরূপ খোদ মুখ্যমন্ত্রীর বাংলোর গেটের সামনে মৃতদেহ ফেলে রেখে গেল ক্ষুব্ধ জনতা। সোমবার সকালে এই ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যাপক বাড়ানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বাংলোর।

আরও পড়ুনঃ  এ কি কাণ্ড! লন্ডনে ধ্রুব রাঠির প্রতিবাদ সমাবেশে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের পতাকা

পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ইম্ফল ইস্ট ও কাংপোকপি জেলার সীমান্তে খোংবাল সুনুরোক উয়োক এলাকায় সম্প্রতি জঙ্গলে কাঠ কুড়োতে গিয়েছিলেন ১৬ জন গ্রামবাসী। তখনই পাহাড় থেকে নেমে এসে তাঁদের উপর এলোপাথাড়ি গুলি চালায় সশস্ত্র জঙ্গিরা। এই ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়। পাশাপাশি আহত হন আরও ৪ জন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের নাম আরুবাম রনিল (৩৫) এবং লাইরেনলাকপাম ইনাওবি (৫১)। ঘটনার পর থেকে আরও ৩ জনের কোনও খোঁজ নেই।

মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডের খবর গ্রামে পৌঁছতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নংসুম গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁরা মৃতদেহ নিয়ে সোজা ইম্ফলের বাবুপাড়ায় মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই খেমচাঁদ সিংয়ের বাংলোর সামনে হাজির হন। গেটের বাইরে দেহ ফেলে রেখে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পুলিশ তাঁদের সরে যাওয়ার অনুরোধ করলেও সেখান থেকে পিছু হঠতে রাজি হননি গ্রামবাসীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে বাধ্য হয় পুলিশ। পরে ভিড়কে সেখান থেকে সরিয়ে দেহ দুটি নিয়ে যাওয়া হয় জেএনআইএমএস হাসপাতালে। পরে আহতদের দেখতে মুখ্যমন্ত্রী নিজে হাসপাতালে পৌঁছন।

আরও পড়ুনঃ  বঙ্গবার্তার খবরের জের, সুরুচি সংঘের মণ্ডপের সামনে তরুণী পুজো-ভলান্টিয়ারের শ্লীলতাহানির অভিযোগ! ধৃত কলকাতা পুলিশের এএসআই

কে বা কারা গ্রামবাসীদের উপর হামলা চালাল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে অনুমান, এই হামলার নেপথ্যে কুকি সম্প্রদায়ের লোকেরা থাকতে পারেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মে মাস থেকে মেতেই-কুকি সংঘর্ষে অশান্ত মণিপুর। রাষ্ট্রপতি শাসনের মধ্যেও হিংসা থামছে না। গতকালই কামজং জেলায় কুকি সম্প্রদায়ের ১৫টি বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

 

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন