Thursday, 29 October, 2026
29 October
Homeআবহাওয়াWeather: আজ সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গে শুরু টিপ টিপ বৃষ্টি; শক্তি হারাচ্ছে 'অর্ণব'

Weather: আজ সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গে শুরু টিপ টিপ বৃষ্টি; শক্তি হারাচ্ছে ‘অর্ণব’

সমুদ্র উত্তাল থাকায় মৎস্যজীবীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ আবহাওয়া প্রতিবেদন:

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া অতি গভীর ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ (Cyclone Arnab) উপকূল অতিক্রমের পর ক্রমান্বয়ে শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে (Deep Depression) পরিণত হয়েছে। তবে অর্ণব শক্তি হারালেও পশ্চিমবঙ্গের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এখনই স্বস্তির বার্তা মিলছে না। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য অঞ্চলেও ভারী দুর্যোগের আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বেআইনি ৭ কোটি টাকা জমা হয়েছিল যুব তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে, অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিতের বিস্ফোরক বয়ান

অন্ধ্র-ওড়িশা সীমান্তে অবস্থান, আরও দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা

আবহাওয়া ভবনের প্রকাশিত সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়া অর্ণব বর্তমানে উত্তর উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ এবং সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশা, দক্ষিণ ছত্তীসগঢ় ও উত্তর-পূর্ব তেলেঙ্গানার ওপর অবস্থান করছে।

  • গতিপথ ও অবস্থা: গত কয়েক ঘণ্টায় উত্তর দিকে অগ্রসর হওয়ার পর এর তীব্রতা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে।

  • আগামী ঘণ্টার রূপরেখা: বৃহস্পতিবারের মধ্যে এটি আরও শক্তি হারিয়ে সাধারণ নিম্নচাপে (Depression) এবং পরবর্তীকালে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চলে (Well-Marked Low Pressure Area) রূপ নিতে পারে।

  • সর্বক্ষণ নজরদারি: গোপালপুর, রায়পুর ও সম্বলপুরের ডপলার ওয়েদার রাডারের মাধ্যমে এই নিম্নচাপটির গতির ওপর নিরবচ্ছিন্ন নজর রাখা হচ্ছে।

দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

ঘূর্ণিঝড়টি মূল স্থলভাগে প্রবেশ করলেও তার বিস্তৃত মেঘপুঞ্জের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে।

  • ভারী বৃষ্টির সতর্কতা: পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, ব্যাংকুড়া ও পুরুলিয়া জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৯ ও ৩০ অক্টোবর এই জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হতে পারে।

  • বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি: কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, নদীয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সারাদিন মেঘলা আকাশের পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

কলকাতার আবহাওয়া রূপরেখা

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তিলোত্তমার আকাশ সম্পূর্ণ মেঘলা। ইতিমধ্যেই কয়েকটি এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি পশলা বৃষ্টি নথিভুক্ত হয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, দুপুরের পর থেকে শহরের আবহাওয়াতে পরিবর্তন আসতে পারে। দক্ষিণ দিক থেকে আসা জলীয় বাষ্পের কারণে দুপুরের পর বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ব্যারকপুর শিল্পাঞ্চলে চাঞ্চল্য! নৈহাটিতে সোমনাথ শ্যামের বাড়িতে ২ ঘণ্টার আয়কর হানা, সকালে শ্বশুরবাড়িতে সিআইডি নোটিস

উত্তরবঙ্গে পাহাড়ি ধসের ভয়, মৎস্যজীবীদের লাল সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

  • পাহাড়ে সতর্কতা: দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ ও ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি রাস্তায় ছোটখাটো ধস নামার এবং নদীগুলির জলস্তর বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকায় পর্যটক ও স্থানবাসীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

  • সমুদ্র উত্তাল: বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সমুদ্র উত্তাল থাকায় মৎস্যজীবীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, ‘অর্ণব’ তার শক্তি হারিয়ে সাধারণ নিম্নচাপে পরিণত হলেও, এর প্রভাব কাটিয়ে রাজ্যের আবহাওয়া সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হতে আরও দু’-একদিন সময় লাগবে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন