তৎকালীন তৃণমূল সরকার কোনওরকমে জোড়া তাপ্পি দিয়ে রামকৃষ্ণ সেতু নীল-সাদা রং করে হাইড বার বসিয়ে চালু করে দিয়েছিল ভোটের কয়েক মাস আগেই। তবে এখনও সেই ব্রিজ দুলছে।
কমে এসেছে দৃষ্টিশক্তি, দীর্ঘদিনের হাঁপানির জন্য সবসময় সঙ্গে রাখতে হয় ইনহেলার। অন্যদিকে অসুস্থ স্ত্রীও নিয়মিত চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও অর্থাভাবে অনেক সময় ওষুধ কেনা সম্ভব হয় না।
ছেলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। তাঁর কথায়, “ঠিক হয়েছে, ভালো হয়েছে। ও যা অপরাধ করেছে, তার এমন পরিণতিই হওয়া উচিত ছিল। ওর মৃতদেহ আনারও কেউ নেই, দেখারও কেউ নেই। পুলিশ যা করার করবে। আমি হাসপাতালে যাব না।”