Saturday, 25 April, 2026
25 April
Homeদক্ষিণবঙ্গECI: কমিশনের নজরে ডায়মন্ড হারবার, সাসপেন্ড IPS-সহ ৫ পুলিশ কর্তা

ECI: কমিশনের নজরে ডায়মন্ড হারবার, সাসপেন্ড IPS-সহ ৫ পুলিশ কর্তা

বাংলার দ্বিতীয় দফার ভোটের মাত্র চারদিন আগে ফের পুলিশকর্তাদের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত নির্বাচন কমিশন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে বিন্দুমাত্র আপস করতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। গত কাল হিঙ্গলগঞ্জের ওসির ওপর কোপ পড়ার পর, গতকাল শুক্রবার আরও বড় পদক্ষেপ নিল দিল্লি। এ বার কমিশনের নিশানায় সরাসরি ডায়মন্ড হারবার পুলিশ।

গুরুতর অসদাচরণ ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে এক জন আইপিএস  অফিসার-সহ মোট পাঁচ জন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিল কমিশন। একই সঙ্গে চরম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে জেলার পুলিশ সুপারকেও।

আরও পড়ুনঃ রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলার শিকড় খুঁজতে আজ সাতসকালে হাবড়ার একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ED-র হানা

ডায়মন্ড হারবারে যাঁদের ওপর পড়ল কোপ

গত ২২ এপ্রিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তিতে কমিশন এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাঁদের অবিলম্বে সাসপেন্ড করে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন

  • সন্দীপ গড়াই (IPS): অ্যাডিশনাল এসপি, ডায়মন্ড হারবার
  • সজল মন্ডল: এসডিপিও (SDPO), ডায়মন্ড হারবার।
  • মৌসম চক্রবর্তী: আইসি (IC), ডায়মন্ড হারবার থানা।
  • অজয় বাগ: আইসি (IC), ফলতা থানা।
  • শুভেচ্ছা বাগ: ওসি (OC), উস্তি থানা।

সতর্ক করা হল এসপি-কেও

অধস্তন অফিসারদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারা এবং নির্বাচনের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে নিরপেক্ষতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ সুপার ডঃ ঈশানি পালকেও কড়া ভাষায় সতর্ক করেছে কমিশন।

এই নির্দেশ কার্যকর করে আগামী ২৫ এপ্রিল সকাল ১১টার মধ্যে কমিশনকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ দিদি! জিতলে আমিষ পার্টি হবে, মাংস রাজারহাটের-মাছ অসমের: হিমন্ত

হিঙ্গলগঞ্জেও জারি কড়াকড়ি

এর আগেই উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি সন্দীপ সরকারকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি স্থানীয় কিছু অসাধু চক্রের সঙ্গে আঁতাত করে ভোটের ময়দানে সব দলের জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি নতুন ওসির পদের জন্য দ্রুত নাম প্রস্তাব করতে নবান্নকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই জোড়া নির্দেশিকা ঘিরে এখন রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনের আগে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা বা পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের বিরুদ্ধে যে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে, এটি তারই প্রমাণ। এখন দেখার, এই প্রশাসনিক রদবদলের পর সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলার ছবিটা কতটা বদলায়।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন