Friday, 12 June, 2026
12 June
Homeউত্তরবঙ্গSiliguri: নিচুতলার কর্মীরা হাতে পদত্যাগ পত্র নিয়ে বসে আছে; জানিয়ে দিলেন দার্জিলিং...

Siliguri: নিচুতলার কর্মীরা হাতে পদত্যাগ পত্র নিয়ে বসে আছে; জানিয়ে দিলেন দার্জিলিং জেলা কংগ্রেস সভাপতি সুবিন ভৌমিক

সুবিন ভৌমিক বলেন, “মিডিয়া যা বলছে স্পেকুলেশন। তা নিয়ে বলতে চাই না। ২০১১ সালে কংগ্রেসের হেলিকপ্টার ও কংগ্রেসের টাকা পয়সা নিয়ে উনি মসনদে বসে কংগ্রেসকেই সাইনবোর্ড করতে চেয়েছেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কংগ্রেসে মিশে যেতে পারে তৃণমূল । বাংলায় কংগ্রেসে একসঙ্গে জোট করে লড়াই করতে পারে তৃণমূল। এই সব জল্পনা-আলোচনার মধ্যেই মুখ খুললেন উত্তরবঙ্গের কংগ্রেস নেতা। পরিষ্কার জানালেন, নিচুতলার প্রচুর কর্মী মার খেয়েছেন, ফলত এমন কিছু হলে তাঁরা যে ভালো কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না সেই কথাই বললেন।

আরও পড়ুনঃ এপ্রিলে ‘মমতা দুর্নীতিবাজ’! রঙ পাল্টে মমতাকে শীর্ষে বসানোর দ্বিচারিতা কংগ্রেসের

দার্জিলিং জেলা কংগ্রেস সভাপতি সুবিন ভৌমিক বলেন, “মিডিয়া যা বলছে স্পেকুলেশন। তা নিয়ে বলতে চাই না। ২০১১ সালে কংগ্রেসের হেলিকপ্টার ও কংগ্রেসের টাকা পয়সা নিয়ে উনি মসনদে বসে কংগ্রেসকেই সাইনবোর্ড করতে চেয়েছেন। আমি নিজে ভুক্তভোগী। আমি কংগ্রেসের পতাকা তুলেছিলাম বলে আমার বিরুদ্ধে মামলা হয়। তৃণমূলের জন্য নিচুতলার কর্মীরা অনেক সমস্যা-যন্ত্রণার মধ্যে আছে। এমন যদি সত্যি হয় কংগ্রেস কর্মীরা সিদ্ধান্ত নেবে।” তিনি আরও বলেন, “আজ রাস্তায় বেরলে ওদের যে ভাষা শুনতে হয়। যেভাবে মারধর খাচ্ছে, যাদের মানুষ চোর চোর বলে ডাকছে তাদের দায়ভার কংগ্রেস কর্মীরা নিতে চাইবেন না।”

আরও পড়ুনঃ ‘স্কুল শিক্ষকদের কাছেই টিউশন পড়ব’, রাস্তা আটকে আন্দোলন ছাত্ররা, সমর্থনে বাবা-মায়েরা

এ দিকে, গতকালই ছ’বারের সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেন, “আমার সঙ্গে তৃণমূলের তো কোনও ব্যক্তিগত বিরোধিতা নেই। আমার সঙ্গে তৃণমূল নেতা, নেত্রী, তৃণমূল পার্টির কোনও ব্যক্তিগত বিরোধিতা কোনওদিন ছিল না। তৃণমূল আমার পার্টিকে খতম করতে চেয়েছে, আমি আমার পার্টিকে রক্ষা করতে চেয়েছি। মোকাবিলা করার চেষ্টা করেছি। এটা আমার রাজনৈতিক ধর্ম বলে মনে করেছি।” অপরদিকে, প্রবীণ কংগ্রেস নেতা আবদুল মান্নান বলেছেন, “মমতার কোও কার্যকলাপের উপর কেউই বিশ্বাস করতে পারেন না। তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা ভারতের রাজনীতিতে তলানিতে ঠেকেছে। সবাই জানে, সনিয়া গান্ধীও জানে। তিনি এও বলেছিলেন মমতার থেকে বেশি ভরসা করা যায় বামেদের উপর।”

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন