কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ
বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে তৃণমূলের ভাঙন বাড়ছে। একাধিক শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছে দল, আর নেতাদেরও কর্মীদের পাশে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে বামপন্থী দল সিপিএমের শক্তিও বাড়ছে। জলপাইগুড়িতে এ বার সেই চিত্রই দেখা গেছে, যেখানে প্রায় ১৫০ জন তৃণমূল ত্যাগ করে সিপিএমে যোগ দিয়েছেন।
রবিবার বিকেলে জলপাইগুড়ির পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পরেশপল্লি এলাকায় এক অনাড়ম্বর সভায় স্থানীয়রা লাল পতাকা হাতে নিয়ে সিপিএমের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। এলাকার বহু মহিলা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি, বৃদ্ধভাতা বন্ধ রয়েছে এবং উন্নয়নের অভাব রয়েছে। তৃণমূল নেতারা পালাবদলের পর কর্মীদের পাশে থেকে যাচ্ছেন না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
আরও পড়ুনঃ খাসিতে কাশি! কলকাতায় খাসির মাংসের দাম ১২০০ টাকা ছুঁল
সভায় উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে কাজ হারানো ২০ জন যুবক-যুবতী। তাঁদের দাবি, সিকিউরিটি এজেন্সির টেন্ডার বিলম্বের কারণে চাকরি চলে গেছে, এবং তারা লড়াইয়ে সিপিএমের সহায়তা চান।

সিপিএম সদর পশ্চিম এরিয়া কমিটির সম্পাদক শুভাশিস সরকার বলেন, “আমাদের পার্টিতে যোগদান আড়ম্বরের ব্যাপার নয়। আমরা সব সময় খেটে খাওয়া মানুষের জন্য লড়াই করি। যারা আমাদের সঙ্গে থাকতে চান, তাঁরা আসতেই পারেন।”
আরও পড়ুনঃ দইয়ের পর আমূলের ২ আইসক্রিম কারখানা! বললেন শুভেন্দু
এর আগে উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয়ের সোনাপুকুর-শংকরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রায় শতাধিক তৃণমূল কর্মী-সমর্থক সিপিএমে যোগদান করেন। তারা অভিযোগ করেন, তৃণমূল দুর্নীতি করেছে এবং মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। সিপিএমের আদর্শে আস্থা রেখে এই দলবদল ঘটেছে।


