Tuesday, 16 June, 2026
16 June
HomeকলকাতাCHC: 'বাড়িতে সময় কাটছে না…', মমতা হাইকোর্টে আসতেই খোঁচা

CHC: ‘বাড়িতে সময় কাটছে না…’, মমতা হাইকোর্টে আসতেই খোঁচা

কোনও আগাম বার্তা ছাড়াই তিনি পৌঁছে যান এদিন। গাড়ি থেকে নেমে সোজা চলে যান ভিতরে। সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনও কথা বলেননি তিনি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

 ‘ভবানীপুর বিধানসভার নির্বাচনী ফলকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ করেই বেলেঘাটার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষের সঙ্গে হাইকোর্টে চলে আসেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তবে কী কারণে হাইকোর্টে এসেছেন, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। বরং দাবি করেন যে এই বিষয়ে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়ে কথা বলবেন। তবে সূত্রের খবর, ভবানীপুরে যে বিজেপি প্রার্থী তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জিতেছেন, সেটাকে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মমতা। দায়ের করেছেন হলফনামা। অভিযোগ তুলেছেন যে ভোটগণনায় কারচুপি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বড় পদক্ষেপ! ২২ জুন পর্যন্ত দেশে টেলিগ্রাম ব্লক করল কেন্দ্র

যদিও সেই বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। পদ্ম শিবিরের নেতাদের দাবি, ক্ষমতা হারানোর পরে বাড়িতে বসে সময় কাটছিল না মমতার। সময় কাটাতে হাইকোর্টে এলেন বলে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতারা। সেইসঙ্গে তাঁরা দাবি করেছেন, ভবানীপুরে আবার নির্বাচন হলে ফের হারবেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। হারের হ্যাটট্রিক (শুভেন্দুর কাছে ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে হেরেছেন, ২০২৬ সালে ভবানীপুরে হেরেছেন মমতা) করে ফেলবেন বলেও কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতারা।

এমনিতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল মানতে চাননি মমতারা। গত ২৪ মে মমতা বলেছিলেন, ‘৪ তারিখে কাউন্টিং হয়েছে। এই ২০ দিন মুখ বুজে সব কিছু সহ্য করেছি। আমি নয়, বাংলার মানুষ, তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা, যাঁরা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বলি হয়েছেন, ১২ জন মানুষ মারা গিয়েছেন, খুন হয়েছেন, আত্মহত্যায় বাধ্য হয়েছেন। সবাইকে জোর করে পদত্যাগ পত্র লিখিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইলেক্টেড বডিকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রশাসনিক রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চলছে।’

আরও পড়ুনঃ আর কেনা যাবে না কাশির ওষুধ, বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

মমতা বলেছিলেন, ‘আমিও প্রশাসন চালিয়েছি…। আমাদের সময়ও প্রায় ৩০ পার্সেন্ট পঞ্চায়েত বিরোধীদের ছিল। এবারে জিতেছে তারা। কই তাদের অফিসে তো তালা দিইনি। একটা নির্বাচন হয়ে গেল, এটা কি সত্যিই নির্বাচন হয়েছে? নাকি নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে!’ সেইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ‘কাউন্টিং রিগিং করা, ইভিএম মেশিন রিগিং করা, আমাদের কাছে স্পেসিফিক খবর রয়েছে, সেন্ট্রাল ইলেকশন কমিশনের অফিস থেকে ডেটা হ্যাকিং করা…বিজেপির লোকেরা সিআরপিএফর ড্রেস পরে ঢুকে গিয়েছে কাউন্টিং সেন্টারে। ইভিএমের মেশিনের রিপোর্ট চাই আমাদের। উপরওয়ালা দেখছে। আপনি বাংলাকে লুঠ করেছেন। আপনার দিল্লি চলে যাবে।’

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন