বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে গ্রেফতার তৃণমূল সাংসদের শশুর এবং শ্যালক। )তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানের শশুর এবং শ্যালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার এক ব্যাক্তিকে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন সাংসদের শশুর এবং শ্যালক।
আরও পড়ুনঃ বেনজির নির্দেশ! সন্ধ্যা ৬টার পর বাইক নিয়ে রাস্তায় বেরনো যাবে না
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ খান (৩০) নিজের গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় রাস্তার একটি জলভরা গর্তের ওপর দিয়ে গাড়ি চলে যাওয়ায় পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শোয়েব খানের গায়ে জল ছিটকে পড়ে। শোয়েব খান, যিনি ইউসুফ পাঠানের আত্মীয় বলে জানা গেছে, এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ইউসুফ খান সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি থামিয়ে ক্ষমা চাইলেও পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, শোয়েব খান তাঁকে গালিগালাজ করেন এবং একটি বাঁশের লাঠি দিয়ে ইউসুফ খানের গাড়ির কাচ ভেঙে দেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। হঠাৎ করে এমন আক্রমণে হতভম্ব হয়ে পড়েন ইউসুফ খান।
এই ঘটনার পর তিনি বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের সব কিছু জানান। পরিবারের পরামর্শেই তিনি থানায় অভিযোগ জানাতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু সেখানেই ঘটে আরও এক দফা উত্তেজনা। পথে তিনি মুখোমুখি হন ইউসুফ পাঠানের শ্বশুর খালিদ খান এবং তাঁর সঙ্গীদের সঙ্গে।
পুলিশের দাবি, খালিদ খানের সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলে উমরশাদ খান (৩৫), শোয়েব খান এবং আরও এক অভিযুক্ত শাহবাজ পাঠান। ওই সময় আবারও দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়, যা দ্রুত হাতাহাতিতে পরিণত হয়। অভিযোগ, খালিদ খান এবং তাঁর সঙ্গীরা মিলে ইউসুফ খানকে আবারও মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন।
আরও পড়ুনঃ টাকা বিলির অভিযোগ, গ্রেফতার তৃণমূল নেতা
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয় মুম্বই পুলিশের ভয়কাল থানা। অভিযোগের ভিত্তিতে খালিদ খান, উমরশাদ খান এবং শোয়েব খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মারধর এবং গুরুতর আঘাত করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে আদালতে তোলা হলে তাঁদের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। অন্যদিকে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত শাহবাজ পাঠান বর্তমানে পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং খুব শীঘ্রই তাঁকে গ্রেফতার করা হবে বলেই আশাবাদী তদন্তকারীরা।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে। ধারা 118(2): ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত, ধারা 115(2): এমন অপরাধের প্রচেষ্টা বা অংশগ্রহণ, যা গুরুতর ক্ষতি ডেকে আনতে পারে, ধারা 324: বিপজ্জনক অস্ত্র বা উপকরণ ব্যবহার করে আঘাত করা, ধারা 352: উস্কানি ছাড়াই হামলা বা বলপ্রয়োগ , ধারা 351(2): আক্রমণ বা আক্রমণের হুমকি।



