Monday, 11 May, 2026
11 May
Homeদক্ষিণবঙ্গBaharampur: রাজ্যে থাকতে গেলে সবাইকে সন্মান করতে হবে; এটা নতুন সরকার, বহরমপুরে...

Baharampur: রাজ্যে থাকতে গেলে সবাইকে সন্মান করতে হবে; এটা নতুন সরকার, বহরমপুরে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর ভীষ্মদেব

শনিবার রাজ্যে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান মিটতেই সক্রিয় হয়ে ওঠে বহরমপুর থানার পুলিশ। রাতেই ভীষ্মদেবকে গ্রেফতার করা হয়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

রাজ্যে সরকার বদল হতেই মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক সমীকরণে বড়সড় রদবদল শুরু হল। লোকসভা ও বিধানসভা— পরপর দু’টি নির্বাচনে অধীর চৌধুরী পরাজিত হলেও, তাঁর নির্বাচনী প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এবার শ্রীঘরে ঠাঁই হল তৃণমূলের দাপুটে কাউন্সিলরের। শনিবার রাতে বহরমপুরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি ভীষ্মদেব কর্মকারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনার সূত্রপাত গত ৪ এপ্রিল। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার তখন তুঙ্গে। বহরমপুর কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে প্রচারে বেরিয়েছিলেন অধীর চৌধুরী। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূল কর্মীরা তাঁর মিছিলে বাধা দেয় এবং অধীরের উদ্দেশে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান তোলা হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, কংগ্রেস ও তৃণমূল সমর্থকরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশকে পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেতে হয়।

আরও পড়ুনঃ এটা বিজেপির সরকার নয়, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার; মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের আমলাকে বদলি উত্তরবঙ্গে

তৎকালীন শাসক শিবিরের এই আচরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিল কংগ্রেস। যদিও সেই সময় ভীষ্মদেব দাবি করেছিলেন, অধীরই বাইরে থেকে দুষ্কৃতী এনে এলাকায় অশান্তি পাকাচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষই তার প্রতিবাদ করেছে।

শনিবার রাজ্যে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান মিটতেই সক্রিয় হয়ে ওঠে বহরমপুর থানার পুলিশ। রাতেই ভীষ্মদেবকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে দাবি, ৪ এপ্রিলের গোলমালের ঘটনায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। আজ, রবিবার তাঁকে আদালতে পেশ করার কথা।

আরও পড়ুনঃ নতুন সরকারের প্রশাসনিক চালচিত্রে ‘বাম’ ছায়া! ভোটব্যাঙ্কের অঙ্ক নাকি অভিজ্ঞতায় আস্থা?

ভীষ্মদেবের এই গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূল শিবিরের একাংশের দাবি, সারা রাজ্যেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বেছে বেছে তাঁদের নেতা-কর্মীদের ওপর ‘কোপ’ ফেলা হচ্ছে। জমানা বদলে যাওয়ার সুযোগ নিয়েই এই পদক্ষেপ বলে তাঁদের অভিযোগ। তবে পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, আইনের পথেই তদন্ত এগোচ্ছে।

উল্লেখ্য, বহরমপুরের পাঁচ বারের সাংসদ অধীর চৌধুরী গত লোকসভা ভোটে ইউসুফ পঠানের কাছে পরাজিত হওয়ার পর বিধানসভা নির্বাচনেও জয়ের মুখ দেখতে পারেননি। ঘরের মাঠে এই হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ে এবার বাজিমাত করেছেন বিজেপির সুব্রত মৈত্র। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অধীর হারলেও তাঁর পুরনো অভিযোগের ভিত্তিতে তৃণমূল নেতার গ্রেফতারি প্রমাণ করছে যে, বর্তমান জমানায় পুলিশি সক্রিয়তার সুর অন্য সুরে বাঁধতে চাইছে প্রশাসন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন