মেজাজ হারিয়ে চড় মারলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ কালীঘাটে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করার সময় আচমকা একজনকে থাপ্পড় মারেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো। দাবি করা হয়েছে যে ওই ব্যক্তি আসলে কালীঘাট তৃণমূলেরই এক কর্মী। তাছাড়াও ভিড় নিয়ন্ত্রণের সময় ধাক্কা দিতে দেখা যায় নিজের দলেরই লোকজনকে। তুমুল বকাবকিও করেন। চোটপাট করেন দলের কর্মীদেরই। হ্যান্ডমাইক নিয়ে ‘বেরো বেরো’ বলেও চিৎকার করতে থাকেন। ‘ডোন্ট ডিস্টার্ব মি’ বলেও বকাবকি করতে থাকেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুনঃ বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ-খুনে পাকড়াও কবীর মোল্লা; গণপিটুনি ও পুলিশকে মারধরের ঘটনাতে গ্রেফতার ২০ জন
বারুইপুরের ঘটনার প্রতিবাদে আজ, বুধবার পথে নেমেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মিছিলে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে মারধর করার অভিযোগ ওঠে। নানারকমের স্লোগান দেওয়া, গান চালানোর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেক কর্মী। পরে মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান কর্মীরা। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেক কর্মী। তাঁদের গাড়িতে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। সেখানেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে মাইক হাতে নেমে পড়েন মমতা।
আরও পড়ুনঃ “একদম ঠিক কাজ করেছেন” পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন তামান্নার মাও
এরপরই বাড়ির সামনেই এভাবে মেজাজ হারাতে দেখা গেল তাঁকে। প্রথমে মাইক হাতে ভিড় সামলাচ্ছিলেন তিনি। ভিড় সরাচ্ছিলেন। সেই সময় কমলা টি শার্ট পরা এক ব্যক্তির গালে চড় মারতে দেখা যায় মমতাকে। সূত্রের খবর, ওই ব্যক্তিও একজন তৃণমূলকর্মী। তবে কী কারণে তিনি এভাবে চড়াও হলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, মনে করা হচ্ছে, ভিড় সামলাতে গিয়েই এভাবে মেজাজ হারিয়েছেন তিনি।
এই প্রসঙ্গে বিজেপির কটাক্ষ, “হেরে গিয়ে মানসিক স্থিরতা হারিয়ে ফেলছেন মমতা।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এসব দেখেই বোঝা যাচ্ছে, মানসিক স্থিরতা ঠিক নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।”


