Saturday, 22 August, 2026
22 August
Homeউত্তরবঙ্গBuxa Fort: উত্তরবঙ্গের পর্যটনে নতুন দিগন্ত; উত্তরবঙ্গে নেতাজির স্মৃতি ও পর্যটন প্রসারে...

Buxa Fort: উত্তরবঙ্গের পর্যটনে নতুন দিগন্ত; উত্তরবঙ্গে নেতাজির স্মৃতি ও পর্যটন প্রসারে রাজ্য সরকারের বড় উদ্যোগ

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সহ ভারতের স্বাধীনতার মহান বিপ্লবীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো এবং তাঁদের অসামান্য অবদানকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

উত্তরবঙ্গের ঐতিহাসিক স্থান বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের (Buxa Tiger Reserve) অন্তর্গত বক্সা দুর্গে (Buxa Fort) একটি বিশালাকার সংগ্রহশালা বা মিউজিয়াম তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে যাওয়া এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সহ ভারতের স্বাধীনতার মহান বিপ্লবীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো এবং তাঁদের অসামান্য অবদানকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা।

আরও পড়ুনঃ তৈরি হচ্ছে ‘ত্রিকোণ নিরাপত্তা বলয়’; শিলিগুড়ি করিডরের সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

প্রকল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব

  • নেতাজির স্মৃতি বিজড়িত গ্যালারি: ব্রিটিশ শাসনামলে বক্সা দুর্গটি বিপ্লবীদের বন্দিশালা হিসেবে ব্যবহৃত হতো, যেখানে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু নিজেও কিছুদিন বন্দি ছিলেন। দুর্গের যে বিশেষ কুঠুরিতে নেতাজিকে রাখা হয়েছিল, সেটিকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ গ্যালারি ও স্মারক কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

  • মন্ত্রিসভার অনুমোদন: সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রকল্পের প্রস্তাব پیش করা হলে তা দ্রুত প্রশাসনিক অনুমোদন পায়।

  • ‘নেতাজি সেবা কেন্দ্র’ গঠন: ইতিহাসের সম্মান রক্ষার পাশাপাশি রাজ্যের প্রতিটি অঞ্চলে ‘নেতাজি সেবা কেন্দ্র’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুনঃ ‘সারারাত তাণ্ডব চলবে’ মন্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্কের মুখে শর্বরী; ‘আমি কোনও উস্কানিমূলক কথা বলিনি’ জানিয়েও দিলেন

উত্তরবঙ্গের পর্যটনে নতুন দিগন্ত

  • ঐতিহাসিক পর্যটনের প্রসার: জঙ্গল ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি এই নতুন সংগ্রহশালাটি তৈরি হলে আলিপুরদুয়ার অঞ্চলে পর্যটকদের আগমন বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

  • অর্থনৈতিক উন্নতি: এই প্রকল্পের ফলে স্থানীয় স্তরে ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পের প্রসার ঘটবে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের রুজি-রোজগারেও নতুন গতি আনবে বলে মনে করছে রাজ্য প্রশাসন।

ইতিহাস এবং পর্যটনের এই যুগলবন্দীকে স্বাগত জানিয়েছেন গবেষক, ইতিহাসপ্রেমী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন