Tuesday, 16 June, 2026
16 June
HomeকলকাতাAbhishek Banerjee: 'আত্মসমর্পণ নয়’- ১১ ঘণ্টার জেরা শেষে ‘বিস্ফোরক’ অভিষেক

Abhishek Banerjee: ‘আত্মসমর্পণ নয়’- ১১ ঘণ্টার জেরা শেষে ‘বিস্ফোরক’ অভিষেক

'যতবার ডেকেছে, আমি এসেছি, আগামীতেও আসব', ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে জানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

প্রায় ১১ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ! তারপর ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, বিরোধী শক্তিকে দুর্বল করতে এবং “বিরোধীশূন্য পশ্চিমবঙ্গ” গড়ার লক্ষ্যে ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “যারা জনগণের স্বার্থে লড়াই করে, তারা কোনো চাপের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না।”

আরও পড়ুনঃ পুরো হেড শট, এবার ডিম ‘খেলেন’ কুণাল ঘোষ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি একাধিকবার তদন্তকারী সংস্থার সামনে হাজির হয়েছি। আমাকে দু’বার দিল্লিতেও তলব করা হয়েছিল এবং দু’বারই হাজিরা দিয়েছি। সব মিলিয়ে প্রায় ১০-১২ বার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সামনে হাজির হয়েছি।” তিনি জানান, তদন্ত চলাকালীন তাঁকে করা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর তিনি দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও পূর্ণ সহযোগিতা করবেন।

তদন্তের নেপথ্যে রাজনৈতিক চাপ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি সরাসরি মন্তব্য এড়িয়ে গিয়ে বলেন, “বিজেপি সম্পর্কে যত কম বলা যায়, ততই ভালো।” তবে তাঁর অভিযোগ, গত এক মাস ধরে বিরোধী শক্তিকে ভয় দেখানো, দমন করা এবং দুর্বল করার ধারাবাহিক চেষ্টা চলছে।

অভিষেকের দাবি, এফআইআর ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার অজুহাতে যোগ্য ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চাপ সৃষ্টি করে বিরোধী দলের গণনা এজেন্টদের গণনা কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি। নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “যে সহিংসতা হয়েছে, তা আমরা সবাই প্রত্যক্ষ করেছি।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ষড়যন্ত্র, দলত্যাগ করানো এবং সাংসদ-বিধায়কদের বিভক্ত করার মাধ্যমে বিরোধী দলকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে। তবে সেই প্রচেষ্টা সফল হবে না বলেই দাবি তাঁর। অভিষেক বলেন, “আমাদের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করে দেওয়া হলেও আমরা আত্মসমর্পণকারী মানুষ নই, আমরা প্রতিরোধকারী মানুষ।”

আরও পড়ুনঃ বিতর্কিত TMC কাউন্সিলর দেব-আদৃতের সহ-অভিনেত্রী, রয়েছে অরূপ যোগও

যে মামলার তদন্তে তাঁকে তলব করা হয়েছে, সেটি চার বছর আগে দায়ের হওয়া একটি এফআইআর-এর ভিত্তিতে শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সিবিআই ২০২২ সালের জুন মাসে তদন্ত শুরু করে এবং পরের মাসেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার প্রসঙ্গ টেনে অভিষেক বলেন, “আমরা সবসময় চেয়েছি যে যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীরা দ্রুত নিয়োগ পাক। পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, ন্যায্য এবং মেধার ভিত্তিতে হওয়া উচিত।”

শেষে তিনি আবারও জানান, তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করে যাবেন এবং ভবিষ্যতে ডাক পড়লে হাজিরা দেবেন।

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন