Thursday, 18 June, 2026
18 June
HomeকলকাতাRitabrata Bhattacharya: বড় ধাক্কা মমতার, বিধানসভায় টিম-টিম করে জ্বলবে কালীঘাট TMC

Ritabrata Bhattacharya: বড় ধাক্কা মমতার, বিধানসভায় টিম-টিম করে জ্বলবে কালীঘাট TMC

শোভনদেব নন, ঋতব্রতর পক্ষেই গেল আদালতের রায়

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

পালাবদলের পর রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে চরম টানাপোড়েনের মাঝেই বড় নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিধানসভার স্পিকারের নেওয়া সিদ্ধান্তে এখনই কোনও অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল না আদালত। অর্থাৎ, আপাতত বিরোধী দলনেতার পদে আসীন থাকছেন উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই। বৃহস্পতিবার বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এই নির্দেশ রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

কী নির্দেশ দিল হাইকোর্ট?

বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিরোধী ব্লকের বিধায়কদের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে আদালত আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর দেওয়া স্বীকৃতিই আপাতত বহাল থাকছে। স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এদিনের নির্দেশে কার্যত হাইকোর্টে ধাক্কা খেলেন তিনি। আগামী ২৮ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ মাটির সংকটে হাহাকার, দুশ্চিন্তায় কুমোরটুলি

কী নিয়ে এই নজিরবিহীন বিতর্ক?

২০২৬ সালের নির্বাচনের পর বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু দলেরই আরেক অংশ তাতে বেঁকে বসে। এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা ৫৮ জন বিক্ষুব্ধ বিধায়কের সমর্থন-সহ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওই পদের দাবিদার হিসেবে তুলে ধরেন। এরপরই স্পিকার ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

আরও পড়ুনঃ শুধু পছন্দের অফিসারে না, জেড প্লাস নিরাপত্তা অক্ষত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

জাল সইয়ের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

আদালতে স্পিকারের আইনজীবীর দাবি, কালীঘাট থেকে পাঠানো প্রথম চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের কার্যবিবরণী (মিনিটস) ছিল না। উপরন্তু, শোভনদেবকে সমর্থনের ওই দলীয় প্রস্তাবে নিজেদের সই জাল করা হয়েছে বলে স্পিকারের কাছে বিস্ফোরক অভিযোগ জানান বেশ কয়েকজন বিধায়ক। অন্যদিকে, সন্দীপন সাহার চিঠিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ থাকায় স্পিকার ঋতব্রতকে মান্যতা দেন। যদিও এর আগের শুনানিতে স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। তবে এদিনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে বাজেট অধিবেশনের আগে স্বস্তিতে ঋতব্রত শিবির।

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন