চন্দন দাস, কলকাতাঃ
সংগ্রহ অভিযান চলছে তাই? বাংলা, বিহার, ইউপি তে SIR টঙ্কা বাজিয়ে কাগজ খোঁজা আর লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার দিনলিপি স্ক্রিপটেড নয় তো tautar দের জন্য?
সরকারের মাথা থেকে লেজ তো নিয়োজিত আছে এই কাজে। সুব্রামনিয়াম স্বামীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা না হওয়া টা সন্দেহ টা কে জোরালো করছে।
আরও পড়ুনঃ মানুষ বড্ড চুপচাপ!! সংখ্যালঘু ভোটের লড়াইয়ে আসল ছবি কী?
একটা জিনিষ মিলছে না রে তোপসে….
মুখে ভালো মানুষের মুখোশ পড়ে একটা শ্রেণির রাজনৈতিক প্রভাবশালী ছোট ছোট বাচ্চা বাচ্চা মেয়ে গুলোকে পাচার করে দিচ্ছে দিল্লি, মুম্বাইতে; তারপর বাইরে চলে যাচ্ছে
এফস্টিন এর নোংরা শারীরিক খেলা ও শেষে জোর করে না ফেরার তারাদের দেশে। মা বাবা আত্মীয় স্বজন কেউ সন্ধান ই পাবে না। মিসিং
ডায়েরি করে পুলিশ স্টেশন থেকে পুলিশ স্টেশন ঘুরে বেড়িয়ে অবশেষে হতাশ হয়ে চোখের জলে বাকি টা জীবন কাটাবে আর না হয় পাগল হয়ে রাস্তায় রাস্তায় পাগল কিম্বা পাগলীর তখমা পাবে; শেষে একদিন পৃথিবী ছাড়বে অনাদরে, অবহেলায় সন্তান হারানোর যন্ত্রণার জন্য। বাহ্ কি দুনিয়া।
আরও পড়ুনঃ যুদ্ধের মেজাজে বঙ্গ ভোট; কোন জেলায় কত কম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী?
বড়লোক, অর্থমান লোকের শারীরিক বিকৃত সুখের বলি হবে এই সব girl child গুলো। বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও নয় ওটা হবে বেটি পটাও। একটা ভাগীদার একবার বলে ফেলেছিল আসল সত্যটা ভুল করে। কাক তো কাকই হয় হাজারো ময়ূর পুচ্ছ লাগিয়েও। কোটি টাকার স্যুট এ কি শিক্ষার দৈন্যতা দুর হয়?
সামাজিক পাপ গুলো দুর হবে না। ওরা নন বায়োলজিক্যাল; দেবতা তুল্য অন্ধ ভক্তদের কাছে!
তবে জানতে ইচ্ছা করে যে যদি কোনোদিন ওই ভক্তেরই টুকরো কে তুলে নিয়ে যায় এফস্টিনের জন্য তখন ওই ভক্তকূল কি করবে দেখার ইচ্ছায় রইলাম। শুনতে হিংস্র লাগছে তবুও…..



