Thursday, 23 April, 2026
23 April
Homeআন্তর্জাতিক নিউজRussia: ভারতকে অত্যাধুনিক আর-৩৭এম ‘অ্যাক্সহেড’ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়ার প্রস্তাব রাশিয়ার

Russia: ভারতকে অত্যাধুনিক আর-৩৭এম ‘অ্যাক্সহেড’ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়ার প্রস্তাব রাশিয়ার

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও এই খবরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পকে ভারতকে অত্যাধুনিক আর-৩৭এম (R-37M) ‘অ্যাক্সহেড’ আলট্রা লং-রেঞ্জ বিওয়াইআর (BVR) ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের অনুমতি দিয়েছেন বলে রুশ সামরিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

এই ক্ষেপণাস্ত্রটি বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল হিসেবে পরিচিত। এর পাল্লা ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে এবং এটি শত্রুপক্ষের বিমান, এয়ারওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল এয়ারক্রাফট ও কৌশলগত বোমারু বিমান ধ্বংস করতে সক্ষম।

আরও পড়ুনঃ মানুষের পকেটে টান; ভারত এখন বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি!

রুশ সামরিক সূত্র জানিয়েছে, পুতিনের সরাসরি অনুমোদনের পর রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্প ভারতীয় বিমানবাহিনীকে এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত। এটি ভারতের সুখোই এসইউ-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমানের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী বলে মনে করা হচ্ছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই ক্ষেপণাস্ত্র?

বিশ্বের সবচেয়ে দূরপাল্লার অপারেশনাল এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলগুলির মধ্যে একটি

– হাইপারসনিক গতিতে উড়তে সক্ষম

– ইলেকট্রনিক জ্যামিং প্রতিরোধী প্রযুক্তি সমৃদ্ধ

– একাধিক লক্ষ্যবস্তু আক্রমণের ক্ষমতা

ভারত-রাশিয়া প্রতিরক্ষা সহযোগিতার এই নতুন পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করবে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালীসহ পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের কার্যকলাপের প্রেক্ষাপটে ভারত তার বিমানবাহিনীর দূরপাল্লার আক্রমণ ক্ষমতা বাড়াতে চায়।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আর-৩৭এম ক্ষেপণাস্ত্র পেলে ভারতীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, বিশেষ করে চীন ও পাকিস্তানের আধুনিক যুদ্ধবিমানের বিরুদ্ধে।

রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের চলমান বড় প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে এই ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি দ্রুত এগোতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। দু’দেশের মধ্যে বর্তমানে প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

আরও পড়ুনঃ চাঞ্চল্যকর অভিযোগ! তৃণমূল কর্মীদের ভুয়ো প্রেস কার্ড দিচ্ছে IPAC? 

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও এই খবরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে সূত্রগুলি জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

এই উন্নয়ন ভারতের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ ও কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন