Wednesday, 10 June, 2026
10 June
HomeকলকাতাTMC: পিঠে ছুরি দুঃসময়ে! অভিষেকের সঙ্গেই ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করলেন তাঁরই ‘সেনাপতি’ সায়নী ঘোষ

TMC: পিঠে ছুরি দুঃসময়ে! অভিষেকের সঙ্গেই ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করলেন তাঁরই ‘সেনাপতি’ সায়নী ঘোষ

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের এই ‘বিশ্বস্ত সেনাপতি’ হিসাবে ধীরে ধীরে নিজের নাম করেছিলেন শিবির অন্দরে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

তাঁরা নাকি বিক্ষুব্ধ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁদের একাধিক ক্ষোভ। সেই তালিকায় এমন এমন নাম শোনা যাচ্ছে, যাদের বিদ্রোহাত্মক বাণী শুনলে চমকে চমকে উঠছেন আম জনতা। অন্তত বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই সেকথা বলেছেন। এবার আরও এক নাম। তিনি অভিষেকের ‘সেনাপতি’, বলা ভালো ছিলেন। কারণ এবার শোনা যাচ্ছে, তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের তালিকায় নাম জুড়তে চলেছে সায়নী ঘোষেরও। সূত্রের খবর, তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে যোগ সায়নী ঘোষের। ম্যানেজার ফোনে জানিয়েছে, সায়নী আপাতত কলকাতার বাইরে রয়েছেন। তিনি ফিরে এসে নিজেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করবেন।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের আরও এক উইকেট পড়ল; ফ্লপ তৃণমূলের ‘মেগা প্ল্যান’

সূত্রের দাবি, তৃণমূলের অন্দরে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের মধ্যে দলত্যাগী বা বিদ্রোহী মনোভাবাপন্ন যে ২০ জন সাংসদের তালিকা তৈরি হয়েছে, সায়নী ঘোষ তাতে স্বাক্ষর করেছেন।

গত সোমবার সকাল থেকে দিল্লিতে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বঙ্গ রাজনীতির জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল। বিধানসভার পর লোকসভার সংসদীয় দলও হাতছাড়া হওয়ার পথে। বদলে যাওয়া  তৃণমূলের একঝাঁক ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। বৈঠকের পরেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে এনডিএ-তে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে চিঠি দিয়েছেন ওই সাংসদরা। বর্তমানে লোকসভায় তৃণমূলের মোট সদস্য সংখ্যা ২৮। তার মধ্যে ২০ জন সাংসদের এই মনোভাব তৃণমূলের জন্য ধাক্কার। কিন্তু ‘বিক্ষুব্ধদের’ মধ্যেও রয়েছে চমকপ্রদ কয়েকটি নাম। তাঁদের মধ্যে অন্যতম সায়নী ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ বাড়ছে চাপ? অভিষেকের গতিবিধি জানতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ সিআইডির

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের এই ‘বিশ্বস্ত সেনাপতি’ হিসাবে ধীরে ধীরে নিজের নাম করেছিলেন শিবির অন্দরে।  সাদা শাড়িতে যিনি মমতার ‘রেপ্লিকা’ হয়ে উঠেছিলেন। তাঁকে সংগঠনের বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছিল দল।  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখন  দলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, তখন সায়নীকে দেওয়া হয়েছিল যুব সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বসে কমিশনের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দেগেছেন। দলের বিপর্যয়ের সময়ে তাঁকে নিয়ে এই জল্পনা, সত্যিই তৃণমূলের মাথাব্যথার কারণ। ইতিমধ্যেই বিক্ষুব্ধদের বিশ্বাসঘাতক বলে অ্যাখ্যায়িত করছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বর্ষীয়ান সাংসদরা।  এখন দেখার, সায়নী ঘোষ কতদিনে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন