Monday, 27 April, 2026
27 April
HomeকলকাতাKolkata: এবার কলকাতার সরু গলিতেও নজর কমিশনের

Kolkata: এবার কলকাতার সরু গলিতেও নজর কমিশনের

কলকাতার ক্ষেত্রে বস্তিগুলিতে সব থেকে বেশি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফাতেও অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন। কলকাতাতে ভোট ঘিরে অশান্তি এড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এবার একগুচ্ছ নির্দেশিকা দেওয়া হল। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে প্রথম দফার তুলনায় আরও বেশি করে সক্রিয় হতে বলা হয়েছে। যে বুথগুলি স্পর্শকাতর, সেই জায়গাগুলির উপর বিশেষ নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুথের বাইরে সংকীর্ণ গলি চিহ্নিত করা হয়েছে উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতায়। সেই সব গলিতে যাতে কোনও হিংসাত্মক ঘটনা না ঘটে, তার জন্য একাধিক পদক্ষেপ করেছে কমিশন।

আরও পড়ুনঃ ভাঙড়ে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় NIA-কে তদন্তভার দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, নাশকতার ছক দেখছে দিল্লি

কমিশনের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, বিগত নির্বাচনগুলির পরে যেসব এলাকায় হিংসা হয়েছে, সেখানে বাড়তি বাহিনী রাখা হবে। কলকাতার ক্ষেত্রে বস্তিগুলিতে সব থেকে বেশি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়। ভোট দিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী উপদ্রুত অঞ্চলগুলিতে বারবার টহল দেবে। সিসিটিভির মাধ্যমে গোটা এলাকায় নজর রাখবে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী।

কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণে অসংখ্য অলি-গলি রয়েছে। বুথের বাইরে সংকীর্ণ গলিগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার ক্ষেত্রে ৪৫৮টি গলি চিহ্নিত করে সেখানে নতুন করে সিসিটিভি বসানো হবে। উত্তর কলকাতার ক্ষেত্রে ২৭০টি গলি চিহ্নিত করে নতুন করে সিসিটিভি বসানো হবে। এছাড়াও বেশ কিছু সরু গলি রয়েছে, সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে টানা টহলদারি চালানো হবে পুলিশের তরফে।

আরও পড়ুনঃ কলকাতায় চূর্ণ “তৃণমূলের দম্ভ”, বঙ্গ জয়ের হুঙ্কার মোদী

কলকাতায় যে বহুতলগুলিতে বুথ তৈরি করা হচ্ছে এবার, সেখানে ফ্ল্যাটগুলির বাসিন্দাদের আগে থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে ভোটের দিন বা ভোটের আগের দিন যে পরিচারিকা কাজে আসবেন, তাঁদের পরিচয় জানিয়ে রাখতে হবে। তালিকা তৈরি করে দিতে হবে। কমিশন জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাই মূল লক্ষ্য। প্রথম দফায় যে ধরনের ত্রুটি দেখা গিয়েছে, সেগুলি সংশোধন করে দ্বিতীয় দফায় আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দ এবং কলকাতা উত্তরের ডিইও স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, ভয়মুক্ত এবং অবাধ নির্বাচন করা মূল লক্ষ্য নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসনের।

প্রসঙ্গত, আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় দফায় মোট ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে নির্বাচন কমিশন। মোট রাজ্য পুলিশ ব্যবহার করা হবে ৩৮ হাজার ২৯৭।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন