গভীর রাতে তীব্র আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হলো রাজ্যজুড়ে। আচমকাই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তিলোত্তমা তিলোত্তমা শহর কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলা। রবিবার (৭ই জুন, ২০২৬) গভীর রাতে হঠাৎই দুলে ওঠে মাটি। কম্পন অনুভূত হতেই অনেক জায়গায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। আলিপুর আবহাওয়া দফতর ও ভূমিকম্প পরিমাপক কেন্দ্র সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কম্পনের রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৫.৭।
আরও পড়ুনঃ বাড়ল অনুপ্রবেশ বিতর্ক! শিলিগুড়ি জংশনে ৮ বাংলাদেশি
উৎসস্থল প্রতিবেশী দেশ ভুটান
ভূমিকম্পের তীব্রতা বেশ ভালো রকমই টের পাওয়া গিয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল (Epicenter) ছিল প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভুটান। মাটির বেশ কিছুটা গভীরে এই কম্পনের উৎপত্তি হলেও তার প্রভাব এসে পড়েছে এ রাজ্যেও।
কেঁপে উঠল কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি-কোচবিহার
ভুটানে ভূমিকম্পের জেরে খাস কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো উৎসস্থলের কাছাকাছি হওয়ায় সেখানে কম্পনের তীব্রতা ছিল অনেক বেশি। জানা গিয়েছে—শহরের বহুতল থেকে শুরু করে সাধারণ বাড়িগুলোতে গভীর রাতে হঠাৎ ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। সিলিং ফ্যান ও ঘরের আসবাবপত্র দুলে ওঠার সাক্ষী হয়েছেন অনেকেই।
আরও পড়ুনঃ আবেদন খারিজ, সই জালিয়াতি মামলায় স্বস্তি পেলেন না অভিষেক
শিলিগুড়ি, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারের মতো জেলাগুলোতে কম্পন টের পাওয়া মাত্রই তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাতের ঘুম ভেঙে অনেকেই খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নেন। এখনও পর্যন্ত এই রাতের ভূমিকম্পের জেরে রাজ্যে বড়সড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর মেলেনি। তবে গভীর রাতের এই আকস্মিক দুর্যোগের কারণে আমজনতার মনে বড়সড় ভয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল কলকাতা। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫। ভূমিকম্পে দুলে ওঠেছিল কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের খুলনা।


