Tuesday, 16 June, 2026
16 June
HomeকলকাতাHemanta Mukherjee: বটগাছের মতো, এক কালজয়ী নাম, সংগীতের বরপুত্র, সুরের জাদুকর জন্মদিণে...

Hemanta Mukherjee: বটগাছের মতো, এক কালজয়ী নাম, সংগীতের বরপুত্র, সুরের জাদুকর জন্মদিণে হেমন্ত

বাংলা সংগীতজগৎকে বিশাল উচ্চতায় তুলে ধরেছেন। গান গেয়েছেন, সুর করেছেন, অনন্য সৌন্দর্যে ভরিয়ে দিয়েছেন সংগীতবলয়কে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের আজ জন্মদিন। তিনি ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দের এই দিনে তার মাতামহের বাড়ি ভারতের বারাণসী শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার সুরেলা কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত আর আধুনিক গান আজও গেঁথে আছে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে।

আরও পড়ুনঃ ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দিপকেকে চড় যুবকের

‘পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তব মাগো, বলো কবে শীতল হবো’ কিংবা ‘ও নদীরে, একটি কথা শুধাই শুধু তোমারে’ অথবা ‘মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে’—গায়ক বা সুরকার হিসেবে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সেরা তিনটি গান বাছা, আর সমুদ্রের ঢেউ গোনা, একই রকমের ব্যর্থ প্রয়াস। অবিস্মরণীয়, অনবদ্য, কালজয়ী, যে বিশেষণই ব্যবহার করা যাক না কেন, অধিকাংশ বাঙালিরই তা যথেষ্ট মনে হবে না। বাংলা সংগীতজগতের অন্যতম পুরোধা ও সুরস্রষ্টা হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে বলা হয় সংগীতের ঈশ্বর।

আরও পড়ুনঃ মোদীর সফরে বড় বৈঠক; বাংলায় বিনিয়োগের পথে ফ্রান্স

তিনি বাংলা সংগীতজগৎকে বিশাল উচ্চতায় তুলে ধরেছেন। গান গেয়েছেন, সুর করেছেন, অনন্য সৌন্দর্যে ভরিয়ে দিয়েছেন সংগীতবলয়কে। নানামুখী গানে আর কোনো শিল্পী তার সমকক্ষ হতে পারেননি। রবীন্দ্রসংগীতের সর্বশ্রেষ্ঠ শিল্পী ছিলেন তিনিই। বাংলা সংগীত জগতে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এক কালজয়ী নাম। অসাধারণ সুর আর স্নিগ্ধ ও মোহনীয় কণ্ঠের ছোঁয়ায় তিনি বাংলা সংগীতভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছেন, হয়ে উঠেন সংগীতের বরপুত্র, হয়ে আছেন সুরের জাদুকর। তিনি হিন্দি সংগীত জগতে হেমন্ত কুমার নামে প্রসিদ্ধ। পঞ্চাশ-ষাটের দশককে আধুনিক বাংলা গানের স্বর্ণযুগ মনে করা হয়। আর হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে বলা হয় আধুনিক গানের প্রবাদ পুরুষ। সিনেমার গান হোক বা রবীন্দ্রসঙ্গীত বা আধুনিক, গায়ক হিসেবে কোনও ক্ষেত্রেই বিন্দুমাত্র অস্বচ্ছন্দ বোধ করতেন না তিনি। সুরকার হিসেবেও বারবার প্রমাণ দিয়ে গিয়েছেন অগাধ বৈচিত্র্যের। একদিকে পশ্চিমী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ভক্ত ছিলেন, অন্যদিকে ভারতীয় সংগীতের নানা আঙ্গিকও ছিলো তার নখদর্পণে। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পুরস্কার-সম্মাননার পাশাপাশি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেয়েছেন সম্মানসূচক ডিলিট। পেয়েছেন সংগীত নাটক আকাদেমি পুরস্কার, মাইকেল মধুসূদন পুরস্কার। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ সেপ্টেম্বর পরলোকগমন করেন।

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন