Saturday, 23 May, 2026
23 May
Homeউত্তরবঙ্গMofakkerul Islam: ধরা পড়েও হুমকি বন্ধ হচ্ছে না সন্ত্রাস ছড়ানো মোফাক্কেরুলের

Mofakkerul Islam: ধরা পড়েও হুমকি বন্ধ হচ্ছে না সন্ত্রাস ছড়ানো মোফাক্কেরুলের

ধরা পড়লেও নিজের অবস্থানে অনড় মোফাক্কেরুল। স্পষ্ট জানিয়েছেন, আন্দোলন যেমন চলছে, তেমনই চলবে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ধরা পড়েও হুমকি বন্ধ হচ্ছে না সন্ত্রাস ছড়ানো মোফাক্কেরুলের। মালদার কালিয়াচকে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরী করেছিলেন তিনি। ভোটার তালিকায় নাম বাদ পড়ার অজুহাতে মানুষকে উস্কে দিয়ে হিংসায় প্ররোচনা দিয়েছিলেন পেশায় আইনজীবী মোফাক্কেরুল। যার ফলে ৭ জন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট কে আটকে রেখে শারীরিক হেনস্থা করে কালিয়াচকের মানুষ। অবরোধ করে জাতীয় সড়ক।

আরও পড়ুনঃ চাঞ্চল্যকর তথ্য! কালিয়াচকে সেদিন টার্গেট ছিলেন কারা?

অভিযোগ গুরুতর হতেই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এই মোফাক্কেরুল। অবশেষে CID র অধিকারিকরা তাকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করে। নেপালে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল মোফাক্কেরুল এমনটাও জানা যায়। তবে ধরা পরেও তার হম্বিতম্বি কমেনি, বরং আধিকারিকদের সামনেই ফের মানুষকে উস্কানোর হুমকি দিচ্ছে মোফাক্কেরুল। ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাতে মালদহের কালিয়াচক-২ ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসে। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় বহু নাম ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’-র অজুহাতে কাটা যাওয়ার অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ শুরু করেন।

বিক্ষোভকারীরা সাতজন বিচারককে, যাদের মধ্যে তিনজন মহিলা, প্রায় আট-নয় ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে তাদের উদ্ধার করে। ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তা তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে এবং এখন পর্যন্ত ৩৫ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু এই ঘটনা নয় মুর্শিদাবাদে এবং মোথাবাড়িতে গত বছর ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক হিংসাতেও এই ব্যাক্তির উস্কানি ছিল বলে জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ ‘অ্যাকশন’ মুডে NIA; কলকাতায় NIA IG সোনিয়া সিং, সঙ্গে ২৪ জন অফিসারের টিম

কালিয়াচকের ঘটনায় মানুষকে উস্কানি দেওয়ার একাধিক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে। গ্রেফতারের পর মোফাক্কেরুল ইসলাম বলেন, “আমি শুধু প্রতিবাদে সাহায্য করতে গিয়েছিলাম। আন্দোলন আমি শুরু করিনি। তবে ভোটার তালিকায় যেসব নাম অন্যায়ভাবে কাটা হয়েছে, সেগুলো ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।” পুলিশের দাবি, তিনি জনতাকেদ উত্তেজিত করার মূল ভূমিকা নিয়েছিলেন এবং ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল। কালিয়াচক থানায় তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে।

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন