spot_img
Tuesday, 17 March, 2026
17 March
spot_img
HomeকলকাতাDA Notification: DA ঘোষণার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই বিজ্ঞপ্তি সরকারের

DA Notification: DA ঘোষণার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই বিজ্ঞপ্তি সরকারের

অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে দুটি কিস্তিতে দেওয়া হবে এই DA।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

গতকাল নিজের এক্স হ্যান্ডেলে সরকারি কর্মীদের DA নিয়ে বড় ঘোষণা করেছিলেন। এই ঘোষণার ২৪ ঘন্টা যেতে না যেতেই এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিল রাজ্য সরকার। অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে দুটি কিস্তিতে দেওয়া হবে এই DA। প্রথম কিস্তি পাঠানো হবে মার্চের শেষে। দ্বিতীয় কিস্তি দেওয়া হবে সেপ্টেম্বরে।

আরও পড়ুনঃ মেগা লড়াই ভবানিপুরে, বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ

অর্থ দফতরের তরফে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত যে বকেয়া ডিএ রয়েছে, তা পরিশোধ করা হবে। এই সুবিধা পাবেন মূলত ROPA 2009-এর আওতাভুক্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। বহু বছর ধরে ডিএ বকেয়া নিয়ে কর্মচারী সংগঠনগুলির আন্দোলনের মধ্যে এই ঘোষণা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বকেয়া ডিএ একসঙ্গে না দিয়ে দু’টি ধাপে কর্মচারীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রথম কিস্তির টাকা পাঠানো হবে চলতি বছরের মার্চ মাসে। এরপর দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে। এর ফলে একদিকে রাজ্য সরকারের ওপর আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে, অন্যদিকে ধাপে ধাপে কর্মচারীরাও তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পেয়ে যাবেন।

কর্মচারীদের বিভিন্ন শ্রেণি অনুযায়ী বকেয়া ডিএ দেওয়ার পদ্ধতিতেও কিছুটা পার্থক্য রাখা হয়েছে। গ্রুপ এ, গ্রুপ বি এবং গ্রুপ সি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বকেয়া ডিএ সরাসরি তাঁদের প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পিএফ অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে গ্রুপ ডি কর্মচারী এবং অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে এই অর্থ তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি জমা করা হবে। ফলে টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও অতিরিক্ত জটিলতা থাকবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে বকেয়া ডিএ গণনার ক্ষেত্রে অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইন্ডেক্স বা AICPI সূচককে ভিত্তি হিসেবে ধরা হবে। অর্থাৎ কর্মচারীদের যে বকেয়া ডিএ রয়েছে, তা পুরোনো নির্দিষ্ট হারে নয়, বরং সেই সময়ের মূল্যবৃদ্ধির সূচকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হিসাব করা হবে। এর ফলে ডিএ-র প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট আর্থিক সূত্র অনুসরণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ ‘শহিদ’ তামান্নার মা’কে প্রার্থী করল CPIM, বামফ্রন্টের তালিকায় দীপ্সিতা, বিকাশরা

বিশেষজ্ঞদের মতে, AICPI সূচকের ভিত্তিতে ডিএ গণনা করা হলে তা অনেক বেশি বাস্তবসম্মত হয়। কারণ এই সূচক দেশের সাধারণ ভোক্তা মূল্যসূচকের ওঠানামা নির্দেশ করে। ফলে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব অনুযায়ী কর্মচারীদের প্রাপ্য ডিএ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেক কর্মচারীই তাঁদের প্রাপ্য অর্থ কিছুটা হলেও বেশি পেতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের একাংশ বকেয়া ডিএ নিয়ে আন্দোলন করে আসছিলেন। বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন এবং আদালতেও এই বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে অর্থ দফতরের এই বিজ্ঞপ্তিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে এই ঘোষণার পরেও কর্মচারী সংগঠনগুলির একাংশের দাবি, বকেয়া ডিএ সম্পূর্ণভাবে এবং দ্রুত পরিশোধ করা উচিত। তাঁদের মতে, বহু বছরের বকেয়া থাকায় কর্মচারীদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে এবং সেই ক্ষতিপূরণও বিবেচনা করা উচিত।

অন্যদিকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্যের সামগ্রিক আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করলে রাজ্যের কোষাগারের ওপর বড় চাপ তৈরি হতে পারে। সেই কারণেই ধাপে ধাপে বকেয়া ডিএ মেটানোর পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন