প্রথম দফার ভোট শুরু হতে বাকি আর কয়েক ঘণ্টা। তার আগে রাজে সিইও দফতরেই থেকে যাচ্ছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার অগ্রবাল এবং নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষকেরা। সূত্রের খবর, মনোজ সিইও দফতরে রাত কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে সেখানেই থাকলেন পশ্চিমবঙ্গে নিযুক্ত কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত এবং বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক এনকে মিশ্র। ভোটের আগে কোথায় কী বন্দোবস্ত রয়েছে, সব ঠিক আছে কি না, তা সিইও দফতর থেকে তাঁরা পর্যালোচনা করবেন।
আরও পড়ুনঃ এবার নতুন অ্যাপ আনল কমিশন; নির্বাচনের প্রতিটি মুহূর্তের নিখুঁত তথ্য
২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোট হচ্ছে ১৫২টি আসনে। অর্থাৎ, অর্ধেকেরও বেশি কেন্দ্রে জনগণের রায় যন্ত্রবন্দি হবে বৃহস্পতিবার। ভোটঘোষণার দিনই কমিশন জানিয়েছিল, দফার সংখ্যা কমালেও এ বার পশ্চিমবঙ্গে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং হিংসামুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছিলেন, অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করার জন্য যা যা প্রয়োজন, করবেন। সেই মতো প্রচুর সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী, পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে এ রাজ্যে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক রয়েছেন। পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব সংক্রান্ত পর্যবেক্ষকের সংখ্যা আগের চেয়ে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ভোটে নজরদারির জন্য জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বিশেষ বুলেটনিরোধক গাড়ি এনেছে কমিশন। সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে ওই গাড়ি টহল দেবে ভোটের দিন। কোথাও কোনও অশান্তি হলেও ওই গাড়ি ব্যবহার করা হবে। রাজ্য প্রশাসনের একাধিক স্তরে ঢালাও রদবদল করা হয়েছে কমিশনের তরফে। রাজ্যের অনেক উচ্চপদস্থ আধিকারিককেও ভিন্ রাজ্যে পর্যবেক্ষক করে পাঠানো হয়েছে। কমিশনের এই অতি তৎপরতা নিয়ে প্রথম থেকেই সরব শাসক তৃণমূল। তবে তাদের অভিযোগ কমিশন উড়িয়ে দিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ এখন এক অদ্ভুত উত্তেজনা; যে অঙ্কে ঘুরবে বিজেপির খেলা!
কমিশন জানিয়েছে, এ বারের নির্বাচনে রাজ্যের প্রত্যেক বুথে ওয়েব কাস্টিং হবে। কোথাও ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেলে বা কোনও অভিযোগ এলেই সেখানে পুনর্নির্বাচনের বন্দোবস্ত করা হবে। এর কোনও অন্যথা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বার সিইও নিজে ভোটের আগের রাতে দফতরে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।



