Thursday, 7 May, 2026
7 May
HomeকলকাতাMamata Banerjee: কার ইন্ধনে পদত্যাগ করছেন না মাননীয়া!

Mamata Banerjee: কার ইন্ধনে পদত্যাগ করছেন না মাননীয়া!

মাননীয়ার পদত্যাগ করতে না চাওয়ার মধ্যে  ভয়ঙ্কর অন্য কিছু নেই তো?  ভাবুন,  ভাবুন, আপনারা ভাবুন!

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

রাষ্ট্রপতি শাসন করলে করুক। রেকর্ড থাক। আমাকে বরখাস্ত করলে করুক। বরখাস্ত হলে কালো দিন হিসেবে রেকর্ড থাক“…..মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল সুপ্রিমো

কার  ইন্ধনে পদত্যাগ করছেন না মাননীয়া! ISI নাকি CIA?  কি তাঁর পরিকল্পনা?

ভোটের ফলাফল ঘোষণার ২৪ ঘন্টা পরেও এই প্রথমবার কোন মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন না, উল্টে প্রেস মিট করে পরিষ্কারভাবে বলে গেলেন তার লড়াইটা বিজেপির সাথে ছিল না, ছিল ইলেকশন কমিশনের সাথে।

ইলেকশন কমিশন এর দ্বারা তাকে জোর করে হারানো হয়েছে অতএব পদত্যাগ করার কোন প্রশ্নই নেই। এই সিদ্ধান্ত কি পূর্ব পরিকল্পিত? এর ফলে কি হতে পারে?

আরপ পড়ুনঃ এদের সাহস কোথায় গিয়ে পৌঁছে গেছে ভাবুন একবার! “পশ্চিমবঙ্গের স্বাধীনতার ঘোষণা করুন” পদত্যাগ না করায় মমতাকে অভিনন্দন জানালেন বাংলাদেশের মৌলবাদী নেতা

প্রথম যেটা হতে পারে রাজ্যপাল সরাসরি ডিসমিস করে দিতে পারেন এবং যদি সেটা তিনি  করেন তাহলে হয়তো অনেকগুলো অপ্রীতিকর বিষয় এড়াতে পারবেন। আর সেটা না করে যদি তিনি মাননীয়কে বলেন সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে তাহলে আবার একটা নতুন খেলা শুরু হবে যার পরিকল্পনা অনেক আগে থেকেই হয়ে রয়েছে।

কারণ সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে যেটুকু সময় পাওয়া যাবে তাতে এই যে কোন রকম ফাইলপত্র বার করতে দেওয়া হবে না বলে একেবারে বজ্র আঁটুনি দিয়ে রাখা হয়েছে।

সেক্ষেত্রে বজ্র আঁটুনি টপকে ভেতরে প্রবেশের সুবিধে পাওয়া যাবে এবং ফাইল গুলোতে আগুন লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি অথবা কোন উপায়ে বা কোন নাটকের মাধ্যমে কিছু ফাইল সরানোর চেষ্টা করা যেতে পারে— যদিও তার সম্ভাবনা খুব কম।

মোদ্দা কথা হলো ফাইল সরানো অথবা নষ্ট করার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার চেষ্টা হতে পারে।

এছাড়া উড়ো খবরে দ্বিতীয় আরেকটা পরিকল্পনার কথা সামনে আসছে। সেখানে বলা হচ্ছে, কলকাতাতে একটা রোড শো এর আয়োজন করা হতে পারে যেখানে প্রচুর অনুপ্রবেশকারী, যাদের নাম এস আই আর এ কাটা গেছে কিন্তু তারা এখনো ভারতে রয়ে গেছে, তাদেরকে দিয়ে ভিড় বাড়িয়ে বেশ একটা জমজমাট ব্যাপার করার চেষ্টা হবে।

সেই রোড শোতে অখিলেশ যাদব ও থাকতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।  সেই রোড শো থেকে তিনি আবার পরিষ্কারভাবে বলে দিতে পারেন, কে রাজ্যপাল আমি চিনি না আমি রাজভবনে যাবো না, পদত্যাগ করবো না।

এদিকে  ১৫ বছর ধরে যারা একনিষ্ঠ বিজেপি কর্মীদের উপর অমানবিক নির্যাতন করে এসেছে,  তারা এখন হঠাৎ করে গেরুয়া আবির মেখে স্বঘোষিত বিজেপি সেজে তৃনমূল কংগ্রেসের কার্যালয় ভাঙচুর ও দখল করছে এবং  তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকার অসম্মান করে বিজেপিকে তৃণমূলীকরনের পথে ঠেলে দিয়ে কলুষিত করছে বিজেপির নীতিনিষ্ঠ রাজনীতিকে।

যাতে করে এক অরাজক ও অশান্ত পরিস্থিতি তৈরী করে সাংবিধানিক সংকট তৈরি করা যায় এবং রাজ্যটাকে অনাকাঙ্খিত রাষ্ট্রপতি শাসনের দিকে ঠেলে দেওয়া যায়।

এইসব পরিকল্পনা আজকের নয়, অনেক আগের, যখন দেখা যাচ্ছিল মাননীয়ার  জনসভা অথবা র‍্যালি গুলোতে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দিচ্ছিলেন না –তখন থেকেই।

তাছাড়া মাননীয়া নিজেও বোধহয় একবার বলেছিলেন যে তিনি সনিয়া ও রাহুলের সাথে কথা বলেছেন। ওদিকে পাঞ্জাবে কেজরিওয়ালের দলবলও ভোট চুরির বিষয়গুলোকে সাপোর্ট করে ন্যারেটিভ ছড়াতে শুরু করেছে। বাকি কিছু বিরোধী তো তাদের ফেভারিট অজুহাত ইভিএম এর পেছনে পড়ে গেছে।

এমনিতেও পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়াকরণ হওয়াতে বাংলাদেশ আর পাকিস্তান আতঙ্কে আছে এবং সেটা স্বাভাবিক কিন্তু বিদেশি মাধ্যম যেমন আলজাজিরা (কাতার) বা ওয়াশিংটন পোস্ট (বলা হয় এটা নাকি CIA এর মিডিয়া) এও মারাত্মক আলোচনা হচ্ছে এই পালাবদল নিয়ে।

মানে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদল হল কিনা তাতে আমেরিকার (পড়ুন CIA) কিসের মাথা ব্যথা?  কারণ ওই পারে শেখ হাসিনা ডিপ স্টেটের হাতে নিজেকে তুলে দেননি কিন্তু এপারে ডিপস্টেট একেবারে খুলে খেলছিল এতদিন—এপারে এত সাপোর্ট থাকার কারণে ডিপ স্টেটও এত সহজে ভূমি ছেড়ে দেবে না, তারাও মরণ কামড় দেবে।

বাংলা হাত ছাড়া হলে একদিকে যেমন তাদের গ্রেটার বাংলাদেশ এবং খ্রিস্টান দেশের পরিকল্পনা তে একেবারে ঠান্ডা জল ঢালা হয়ে যাচ্ছে তেমনি অন্য দিকে গ্রেটার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার টোপটাও যে ফসকে যাচ্ছে।

তাই, যদি রাজ্যপাল সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণ করার জন্য সময় দেন তাহলে সেই সময় বস্তা ভরে ভরে টাকা আসবে অথবা টাকা এসে গেছে বিজয়ী নেতাদের ভাঙ্গিয়ে কেনার জন্য। এতে বাংলাদেশের জামাতি, পাকিস্তানের আইএসআই আর আই এস আই মানে হলো CI-A এবং আনসারুল্লা বাংলা (লেবাননের হুতির বাংলা সংস্করণ)–এদের সবার বস্তা বস্তা টাকা ঢুকে রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ অভিষেকই শার্পশ্যুটার দিয়ে চন্দ্রনাথকে খুন করিয়েছে, দাবি অর্জুনের

কথাগুলো শুনতে একেবারেই অবাস্তব মনে হতে পারে কিন্তু জিও পলিটিক্স ঘাঁটা ঘাঁটি করলে এই বিষয়গুলোর ব্যাপারে জানা যায়  এবং বোঝা যায় এর পিছনে কী ভয়ংকর পরিকল্পনা!

মাননীয়ার পদত্যাগ করতে না চাওয়ার মধ্যে  ভয়ঙ্কর অন্য কিছু নেই তো?  ভাবুন,  ভাবুন, আপনারা ভাবুন! এবার অন্ততঃ ভাববার চেষ্টা করুন।

আপনি কি ভাবছিলেন? এ আবার কেমন ধারা! হেরে যাওয়ার পরেও পদত্যাগ করে না, মাথা ঠিক আছে তো? আছে আছে বিলক্ষণ মাথার ঠিক আছে! আপনার চিন্তা যেখানে শেষ হয়, মাননীয়ার চিন্তা ঠিক সেখান থেকেই শুরু হয়।

এখনো আরো এরকম অনেক কিছু দেখা বাকি যা কখনো ভারতের ইতিহাসে আগে কখনো  ঘটেনি…

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন