১৫ বছর পর রাজ্যে সরকার বদল হয়েছে। প্রথমবার বাংলায় সরকার গড়েছে বিজেপি। শনিবার ব্রিগেডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যজুড়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে এই নিয়ে যখন উন্মাদনা, তখন তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল হুগলির তারকেশ্বর। আর দুই দলের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে গুরুতর আহত হলেন তারকেশ্বর থানার ওসি সুব্রত সাধু। তারকেশ্বরের একটি নার্সিংহোমে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে। মাথায় বেশ কয়েকটি সেলাই করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
আরও পড়ুনঃ অপেক্ষায় রাজ্যবাসী! দুর্নীতির ফাইল খুলবে তো
জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় তারকেশ্বর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিপিআর এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। দুই পক্ষকে সামাল দিতে গিয়ে গুরুতর আহত হন তারকেশ্বর থানার ওসি সহ বেশ কয়েক জন পুলিশকর্মী। ঘটনায় পাঁচ জন বিজেপি কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
এরপরই থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বিজেপির দাবি, পুলিশকর্মীদের আক্রান্তের ঘটনায় দায়ী নয় বিজেপি। ঘটনায় জড়িত তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের গ্রেফতার করতে হবে। আটক বিজেপি কর্মীদের ছেড়ে দেওয়া এবং তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতারের দাবিতে তারকেশ্বর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।
আরও পড়ুনঃ অ্যাকশনে মুখ্যমন্ত্রী! সোমবার রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে বড় বৈঠক শুভেন্দুর
স্থানীয় বিজেপি নেতা সুজয় চট্টোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের উপর হামলা চালায়। সেই সময় ঠেলাঠেলিতে উনি (ওসি) পড়ে যান। সেইসময় হয়তো মাথা কেটে গিয়েছে। আমাদের কেউ মারেনি। উল্টে মহিলা পুলিশকর্মী ছাড়াই আমাদের মহিলা কর্মীদের উপর পুলিশ আক্রমণ করেছে। একজনও মহিলা পুলিশকর্মী ছিলেন না। আমাদের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। আমাদের যেসব কর্মীকে ধরেছে, তাঁদের নিঃশর্তে ছাড়তে হবে।”


