Wednesday, 1 July, 2026
1 July
Homeসমস্তWaqf: দেশ জুড়ে বাতিল হল ৮৮,৫৫০ ওয়াকফ সম্পত্তি

Waqf: দেশ জুড়ে বাতিল হল ৮৮,৫৫০ ওয়াকফ সম্পত্তি

এই বাতিলকরণের প্রধান কারণগুলো হলো জমির রেকর্ডে অমিল, নথিপত্র অসম্পূর্ণ, ঐতিহাসিক বিবরণের অভাব এবং যাচাইকরণে অসঙ্গতি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ভারতে ওয়াকফ সম্পত্তির ডিজিটাল নথিভুক্তিকরণ প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক এন্ট্রি বাতিল হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে চালু করা ইউএমইডি (UMEED) পোর্টালে আপলোড করা প্রায় ৭.৯৬ লাখ ওয়াকফ সম্পত্তির এন্ট্রির মধ্যে প্রায় ৮৮,৫০০টি (প্রায় ১১ শতাংশ) প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এই বাতিলকরণের প্রধান কারণগুলো হলো জমির রেকর্ডে অমিল, নথিপত্র অসম্পূর্ণ, ঐতিহাসিক বিবরণের অভাব এবং যাচাইকরণে অসঙ্গতি।

আরও পড়ুনঃ ‘জ্যোতিবাবুর বলা একটি কথা মনে পড়ছে…’, বললেন শুভেন্দু

ইউএমইডি পোর্টালটি ওয়াকফ সম্পত্তির স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে। মেকার-চেকার-অ্যাপ্রুভার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এখানে তথ্য আপলোড, যাচাই ও অনুমোদন করা হয়। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে পুরনো রেকর্ডের সঙ্গে আধুনিক জমির দলিল মেলানো যায়নি। কোনো কোনো সম্পত্তির কাগজপত্র অসম্পূর্ণ, আবার কিছু ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক দলিল বা ওয়াকফ ঘোষণার সঠিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ফলে যাচাইকারী কর্মকর্তারা সেগুলো বাতিল করে দিয়েছেন।এই পরিসংখ্যান অনেকের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ওয়াকফ বোর্ডগুলোর কেউ কেউ বলছেন, পুরনো সম্পত্তির ক্ষেত্রে ডিজিটাল যুগের আগের নথি পুরোপুরি সংরক্ষিত নেই। ফলে সাধারণ ভুল বা অসম্পূর্ণতার কারণে অনেক বৈধ সম্পত্তিও প্রাথমিকভাবে বাতিল হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, এই প্রক্রিয়া দরকারি। উদ্দেশ্য হলো জাল দাবি, অবৈধ দখল ও অস্বচ্ছতা দূর করা।

আরও পড়ুনঃ প্রণামী বাক্স নিয়ে পানিহাটিতে বিতর্ক, অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন বিধায়কের স্বামী

সঠিক নথি থাকলে বাতিলকৃত এন্ট্রিগুলো আবার সংশোধন করে জমা দেওয়া যাবে।উত্তরপ্রদেশে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। সেখানে ৩০ হাজারেরও বেশি সম্পত্তির এন্ট্রি বাতিল হয়েছে। রাজ্যের সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের তথ্য অনুসারে, অনেক ক্ষেত্রে জমির মালিকানা ও সীমানা নিয়ে অমিল পাওয়া গেছে। অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ডিজিটাইজেশন প্রক্রিয়া ওয়াকফ ব্যবস্থাপনায় একটি বড় সংস্কার। কিন্তু এর জন্য ওয়াকফ বোর্ডগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে। মুতাওয়াল্লি ও স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো দরকার।ওয়াকফ সম্পত্তি মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য ধর্মীয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কল্যাণমূলক কাজে ব্যবহৃত হয়। দেশে লক্ষ লক্ষ একর জমি ও অসংখ্য ভবন ওয়াকফ হিসেবে নথিভুক্ত।

কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই সম্পত্তির অনেকগুলোই অবৈধ দখল, বেহিসেবি ব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির শিকার হয়েছে। সরকারের দাবি, ইউএমইডি পোর্টাল এই সমস্যার সমাধান করবে। ডিজিটাল রেকর্ড থাকলে সম্পত্তির হিসাব স্বচ্ছ হবে, আয় বৃদ্ধি পাবে এবং সঠিক কাজে লাগানো যাবে।তবে সমালোচকরা বলছেন, প্রক্রিয়াটি দ্রুততার সঙ্গে চালানো হয়েছে। ফলে অনেক বৈধ ওয়াকফও সমস্যায় পড়েছে। কিছু বোর্ড আদালতে যাওয়ার কথাও ভাবছে। সুপ্রিম কোর্টও এই বিষয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে এবং সময়সীমা বাড়াতে অস্বীকার করেছে। ফলে বোর্ডগুলোকে দ্রুত সংশোধনী জমা দিতে হচ্ছে।

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন