Tuesday, 16 June, 2026
16 June
HomeকলকাতাKolkata: কলকাতার রাস্তায় ছুটবে হাই-স্পিড ট্রাম

Kolkata: কলকাতার রাস্তায় ছুটবে হাই-স্পিড ট্রাম

আগের প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে রাজ্যের গণপরিবহন পরিকাঠামোকে ধ্বংস করেছে, যার ফলে রাস্তায় পর্যাপ্ত বাস নেই এবং ট্রামকে প্রায় বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়েছিল।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ট্রাম পরিষেবাকে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে আরও গতিশীল করার বড়সড় উদ্যোগ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। সোমবার এই ইঙ্গিত দিয়ে রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং জানান, মহানগরে ‘হাই-স্পিড’ বা দ্রুতগতির ট্রাম চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। ট্রামকে কলকাতার সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রাম সচল করা হলে শহরের যানজট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে। একই সঙ্গে ব্যাস্ত রাস্তায় রাজনৈতিক মদতে বেআইনিভাবে টোটো (ই-রিকশা) চালানোর অভ্যাসের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, ট্রাফিক আইন ভেঙে প্রধান সড়কে টোটোর দাপাদাপি আর বরদাস্ত করা হবে না।

আরও পড়ুনঃ হায় রে এ কি দশা! কেন্দ্রীয় বাহিনীর তাড়া খেয়ে পুকুরে ঝাঁপ দিল পুষ্পার মুক্তি চাওয়া অনুগামীরা

অ্যাকশন মুডে ধরা দিয়ে অর্জুন সিং পূর্বতন সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানান। তিনি অভিযোগ করেন, আগের প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে রাজ্যের গণপরিবহন পরিকাঠামোকে ধ্বংস করেছে, যার ফলে রাস্তায় পর্যাপ্ত বাস নেই এবং ট্রামকে প্রায় বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়েছিল। পরিবহন মন্ত্রী জানান, ট্রাম পরিষেবাকে পুনরুজ্জীবিত করার এই সিদ্ধান্তটি আদতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিরই বাস্তবায়ন, যেখানে ট্রাম ও মেট্রো নেটওয়ার্ককে এক সুতোয় বেঁধে যাত্রীদের জন্য পরিবেশবান্ধব সমন্বিত ‘ই-ট্রিপ’ (e-trip) গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের টিনের পার্টি অফিসে এসি-সোফা, উদ্ধার কন্ডোমের প্যাকেট!

বিগত জমানার জমি কেলেঙ্কারি ফাঁস করে মন্ত্রী বলেন, আগের সরকার ডিপোগুলোর জমি বিক্রি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল এবং বারাসাত ডিপোতে কয়েকশো নতুন বাস ফেলে রেখে নষ্ট করা হয়েছে। সরকারি সম্পত্তির এই অপব্যবহার ও তছরুপের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। পাশাপশি, গণপরিবহনে স্বচ্ছতা আনতে বাসের ‘লাইভ ট্র্যাকিং’ ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে যাত্রীরা স্টপেজে বসেই বাসের নিখুঁত তথ্য পাবেন। এছাড়া যাত্রী চাহিদার ওপর ভিত্তি করে ‘রুট পুনর্বিন্যাস’ করা হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রামের আধুনিকীকরণ এবং ব্যাস্ত রাস্তা থেকে অনিয়ন্ত্রিত টোটো চলাচল বন্ধ করার এই জোড়া সিদ্ধান্ত শহরের  ট্রাফিক ব্যবস্থাকে এক নতুন দিশা দেখাবে।

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন