Friday, 28 August, 2026
28 August
Homeআন্তর্জাতিক নিউজEarthquake: আশঙ্কাই হল সত্যি, ফাটল লেক, ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্প চিনে; নেপালকে জরুরি...

Earthquake: আশঙ্কাই হল সত্যি, ফাটল লেক, ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্প চিনে; নেপালকে জরুরি সতর্কতা ও উদ্ধারকাজ স্তব্ধ

বিপদের আশঙ্কা আগেই করা হয়েছিল। সেই আশঙ্কাই সত্যি হল।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

নেপালের সাম্প্রতিক ধ্বংসলীলার ক্ষতে প্রলেপ পড়ার আগেই সত্যি হলো বিশেষজ্ঞদের বড়সড় আশঙ্কার বার্তা। আজ, শুক্রবার চিনের সিচুয়ান প্রদেশে অনুভূত হলো শক্তিশালী ভূমিকম্প। এই ভূকম্পনের সরাসরি প্রভাবে চিন ও নেপাল সীমান্তে তৈরি হওয়া সেই কৃত্রিম পাহাড়ি হ্রদটিতে ধস নেমে ফাটল ধরেছে। ফলে বিপুল জলরাশি প্রচণ্ড গতিতে নেপালের দিকে ধেয়ে আসার আশঙ্কায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসে হোর্ডিং কাণ্ড; ১৩ জন গ্রেফতার, পুলিশের মোট ৩টি মামলা রুজু

ভূমিকম্প ও হ্রদ বিস্ফোরণের কেন্দ্রবিন্দু

  • চিনে ভূকম্পন: চিনের সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, সিচুয়ান প্রদেশের লংচ্যাঙে রিখটার স্কেলে ৫.১ মাত্রায় কম্পন অনুভূত হয়।

  • হ্রদে মারাত্মক ফাটল: ভূমিকম্পের তীব্রতায় চিনের ‘চোচেন খোলা’ এবং ‘পুরেপু সাংপো’ নদীর সঙ্গমস্থলে জমে থাকা বিশালাকার হ্রদটিতে ফাটল ধরেছে।

  • জল উপচে পড়ার তীব্র ঝুঁকি: চিনা কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী, বাঁধ তৈরি হওয়া এই হ্রদে প্রায় ৩০ লক্ষ ঘনমিটার জল জমা ছিল, যা ফাটল দিয়ে এখন নেপালের সীমান্ত অভিমুখে হু হু করে বইতে শুরু করেছে।

আরও পড়ুনঃ ২০০ বার ওঠবস, কিডনি বিকল হওয়ার উপক্রম; চাকরি বাঁচাতে গিয়ে নরকযন্ত্রণা, বিশ্বজুড়ে তুমুল সমালোচনা

নেপালকে জরুরি সতর্কতা ও উদ্ধারকাজ স্তব্ধ

  • রসুয়া জেলায় চূড়ান্ত অ্যালার্ট: হ্রদ ফেটে জল নেমে এলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে নেপালের রসুয়া জেলা। চিন ইতোমধ্যেই নেপাল সরকারকে জরুরি লাল সতর্কতা (Red Alert) পাঠিয়েছে, যাতে নদী তীরবর্তী নীচু এলাকা থেকে মানুষজনকে দ্রুত সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়।

  • তিব্বত-চিন সীমান্তে উদ্ধার স্থগিত: নতুন করে প্রলয়ঙ্কারী হড়পা বানের প্রত্যক্ষ আশঙ্কায় তিব্বত-চিন সীমান্তে সমস্ত ধরণের উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে।

হ্রদের জল সম্পূর্ণভাবে বাঁধ ভেঙে নিচে নেমে এলে নেপালের আগে থেকে বিপর্যস্ত এলাকাগুলোতে মৃতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন উদ্ধারকারীরা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন